সন্ধে গড়াতেই বাড়ির টেলিভিশনের দখল নিয়ে বসে বউমেয়েরা, অভ্যেসটা নতুন কোনো যুগের নয়। তবু এবার চ্যানেল ঘুরিয়ে থামছে একটাতেই। জি বাংলা। আর নামটা সবার মুখে মুখে, দুলারী।
গল্পের শুরু এক গ্রামের মেয়েকে ঘিরে, নিজের অতীত সম্পর্কে কোনো হদিশ নেই তার। অজানা রক্তের সুতোয় বাঁধা পা পড়ে কলকাতার এক রাজবাড়ির সংসারে। সেখানে অপমান, টানাপোড়েন, আর একটা এমন রহস্য, যা ঘিরে ঘুরছে পুরো গল্প। দর্শক ঠিক ধরেছে সুরটা। প্রমাণ পর্বের সংখ্যা।

আগস্টের শেষে এসে ৫০ ছুঁয়ে গেছে পর্ব। সপ্তাহের সাত দিনই নতুন পর্ব ওঠে, ছুটি নেই প্রায়। এক মাসে ত্রিশটার মতো পর্ব গড়িয়ে যাওয়া সহজ নয়, ঝোঁক ধরে রাখাটা আরও কঠিন। তবু সোশ্যাল মিডিয়ায় সিরিয়ালটার ক্লিপ ঘুরছে প্রচুর। কী যে জাদু! সত্যি কথা, এমন আড়াল নতুন গল্পে সহজে মেলে না।
দুলারীর গল্পে আসল টান কোথায়?
মেয়েটা জানে না, সে আসলে কার ঘরের কন্যা। রাজবাড়ির কেউ কেউ তাকে মেনে নিচ্ছে না, কেউ জানতে চাইছে আসল পরিচয়। মাঝখানে একটা পুরোনো কাণ্ডের দাগ, যা ঢাকা থাকতে চায় না। ব্যাপারটা ঘোলা। মনে আছে তো, রাজবাড়িতে প্রথম ঢোকার দিনটা? ঠিক সেখান থেকেই গল্প ঘুরতে শুরু করে। এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে প্রশ্ন, দুলারী কি পারবে নিজের অধিকার কেড়ে নিতে?
কোথায় আর কখন দেখবেন?
জি বাংলার সন্ধ্যার প্রাইম টাইম স্লটে ওঠে দুলারী। টেলিভিশনে সময় জোটে না অনেকের। তাদের জন্য বিকল্প জি৫।
অ্যাপে পর্বগুলো বিনা মূল্যে দেখা যায়, শুধু অ্যাপটা খুললেই হবে। কালকের পর্ব মিস হয়ে গেলে আজ গিয়ে পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগও আছে।
এরপর কোন মোড়?
গল্প এখন সেই মোড়ে দাঁড়িয়ে, যেখানে দুলারীর পরিচয়ই প্রশ্নের মুখে। রাজবাড়ির উত্তরাধিকার নিয়ে টানাটানি আরও বাড়বে, স্পষ্ট ইঙ্গিত গল্পের ভেতরেই মিলছে। ধীরে ধীরে মেয়েটার হাতে উঠছে নিজের ভাগ্যের চাবি। চ্যানেল গল্পটাকে দীর্ঘমেয়াদি ভেবেই এগোচ্ছে, সপ্তাহে সাত দিনের স্লট তার বড় প্রমাণ। সময়ই বলবে।
আরও পড়ুন: জি বাংলার সা রে গা মা পার অর্জন ও ব্যর্থতা নিয়ে বিস্তারিত লেখা আছে আমাদের সাইটেই। সেই সঙ্গে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জীবনকথা পড়লে বাঙালি দর্শকের পছন্দের খুঁটিনাটি বোঝা সহজ হবে।








