ছোট খাদ্য ব্যবসার মালিকদের জন্য সুখবর। সরকারি সাহায্যে নিজের ইউনিট বড় করার সুযোগ এখন হাতের কাছেই। জ্বী, ঠিক শুনেছেন।
কেন্দ্রের পিএমএফএমই প্রকল্পে ভর্তুকি মেলে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত, আর টাকার অঙ্কটা সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা।
পিএমএফএমই প্রকল্পটা আসলে কী?
২০২০ সালে এই প্রকল্প চালু করেছে কেন্দ্র। দাপ্তরিক ঘোষণা পিআইবি-র অফিসিয়াল পাতায় আছে। আচার, জুস, চিড়া, ছাতু, মুড়ি, মিষ্টি, এমন সব ছোট খাদ্য ব্যবসার জন্য এই টাকা।
কোনও একক ব্যবসায়ীও আবেদন করতে পারবেন। স্বনির্ভর গোষ্ঠী, কৃষক উৎপাদক সংস্থা বা সমবায়, সবার দরজাই খোলা। খরচ বহন করে কেন্দ্র আর রাজ্য মিলে ৬০-৪০ অনুপাতে। মজার ব্যাপার।

কত টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি?
প্রকল্পের খরচের ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি, এক ইউনিটে সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা।
নিজের টাকা থেকে অন্তত ১০ শতাংশ লাগবে, বাকিটা আসবে ব্যাঙ্ক ঋণ হিসেবে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের জন্য সিড ক্যাপিটাল ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
কারা পাবেন এই সুবিধা?
বিনিয়োগ এক কোটি আর বার্ষিক আয় পাঁচ কোটি টাকার মধ্যে থাকলেই মাইক্রো ইউনিটের তালিকায় পড়বে। নতুন ইউনিট গড়ার পরিকল্পনাও করা যায়। পুরনো ব্যবসা আধুনিক করার খরচও ধরা পড়ে এই প্রকল্পে। খুব সহজ।
উদ্যম আধার নিবন্ধন থাকলে কাজ সহজ হয়, না থাকলেও নতুন ইউনিটের জন্য আবেদন করা যায়।
কীভাবে আবেদন করবেন?
প্রথমে জাতীয় পোর্টাল pmfme.mofpi.gov.in-এ গিয়ে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। সেখানে আবেদনের ফর্ম পূরণের পর জেলার প্রতিনিধিরা বিস্তারিত প্রজেক্ট রিপোর্ট বানাতে সাহায্য করেন।
এরপর ব্যাঙ্কে ঋণের আবেদন করতে হবে। জেলা কমিটির সুপারিশ পেলেই ভর্তুকির টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে চলে আসে। প্রশিক্ষণ আর দক্ষতা বাড়ানোর সুবিধাও মেলে।
কী কী নথির প্রয়োজন?
নথির তালিকা ছোট। আধার, ব্যাঙ্কের খাতার বিবরণ, উদ্যম আধার, প্রজেক্ট রিপোর্ট আর নিজের টাকার জোগানের হিসাব, জিনিসটা আগে গুছিয়ে রাখুন।
তাড়াতাড়ি আবেদন।
সংক্ষেপে
ক্ষুদ্র খাদ্য শিল্পের তালিকায় জায়গা করে নেওয়াই মূল লক্ষ্য। সরকারি সাহায্য পেলে শুরুটা সহজ হয়। আবার সময় থাকতে আবেদন করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার খুঁটিনাটি আর কৃষক বন্ধু প্রকল্পের নিয়ম।








