সময়ের সাথে হাত মিলিয়ে

Advertisement

ডেঙ্গু জ্বরে হাতের কাছে যে সব খাবার আপনার জন্য উপকারী জেনে নিন

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ প্রতি বছর ঠিক এই সময় ডেঙ্গুজ্বরের প্রকোপ দেখা যায় । অথচ বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি এমন এক ভয়াবহ আকার ধারন করেছে, তাতে চিকিৎসা পরিষেবা সঠিকভাবে পাওয়া দুষ্কর । নিজেদের সতর্ক না থাকলে এই ডেঙ্গুজ্বর আপনার বিপদের কারন হয়ে দাঁড়াতে পারে । তবে ডেঙ্গু জ্বরে যে সব খাবার আমাদের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী এবং কেন জেনে নেওয়া যাক ।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত একদিকে যেমন দূর্বল হয়ে পড়ে অন্যদিকে এর রেশ শরীরে থেকে যায় দীর্ঘদিন। তবে ডেঙ্গু প্রাণঘাতি কোনো রোগ নয়। বিশ্রাম ও নিয়মমাফিক চললে এ থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া সম্ভব।ডেঙ্গু ভাইরাস এডিস ইজিপ্টাই নামক মশার কামড়ে ছড়ায়। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশা কোন ব্যক্তিকে কামড়ালে, সেই ব্যক্তি ৪ থেকে ৬ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বিশেষ করে গরম এবং বর্ষার সময়টাতেই ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেশি থাকে।

ডেঙ্গু জ্বরে সাধারণত তীব্র জ্বর ও সেই সঙ্গে সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়ে থাকে। জ্বর ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। শরীরে বিশেষ করে হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থি সন্ধি এবং মাংসপেশীতে তীব্র ব্যথা হয়। এছাড়া মাথাব্যথা ও চোখের পিছনে ব্যথা হয়। অনেক সময় ব্যথা এত তীব্র হয় যে মনে হয় বুঝি হাড় ভেঙ্গে যাচ্ছে। তাই এই জ্বরের আরেক নাম “ব্রেক বোন ফিভার”।

এবার দেখে নিন ডেঙ্গুজ্বর হলে বা উপরের লক্ষনগুলি দেখা গেলে কি কি খাবার আপনার পক্ষে উপকারী বন্ধুর ভুমিকা নেবে । তবে সবার আগে মাথায় রাখতে হবে  ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। পরামর্শ ছাড়া কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে ডেঙ্গু রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

১) ডেঙ্গুজ্বর হলে রোগীর  খাবার হতে হবে তরল ও সহজপাচ্য।

২) ডেঙ্গুজ্বর রোগীর  শরীরে জলশূন্যতা দেখা দেয়। তাই এমন খাবার খাওয়া সবচেয়ে জরুরি, যাতে জলশূন্যতা দূর হয়।

৩)  চিকেন ক্লিয়ার স্যুপ বা চিকেন স্যুপ, রসুন স্যুপ, সবজি স্যুপ। এসব খাবারে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ লবণ, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং জলীয় উপাদান থাকে, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

৪)  ডেঙ্গুজ্বরে যেহেতু শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যায়, তাই শরীর ডিহাইড্রেট বা জলশূন্য হয়ে পড়ে। এর জন্য প্রচুর পরিমাণ তরল ও পানীয়জাতীয় খাবার খেতে হবে। কিছুক্ষণ পর পরই পানীয় ও তরল খাবার গ্রহণ করলে শরীরে ফ্লুইড ব্যালান্স ঠিক থাকবে। এরজন্য  সারা দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার স্যালাইন, ডাবের জল, মৌসুমী ফলের রস, ও জলজাতীয় ফল খেতে পারেন।

৫) সবজি দিয়ে রান্না করা পাতলা ঝোলের তরকারি ও পাতলা সুজি। শরীরে এনার্জি ফিরিয়ে আনার জন্য প্রোটিনযুক্ত  খাবার খেতে হবে।। ডিম, দুধ, মুরগির ঝোল, পাতলা খিচুরি ও মাছ খেতে পারেন। ডেঙ্গুজ্বরে সারাদিনে কিছুক্ষণ পর পর রোগীকে এসব খাবার খাওয়ালে শরীর হাইড্রেট থাকবে, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং খুব দ্রুত রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে।

মন্তব্য
Loading...