সময়ের সাথে হাত মিলিয়ে

Advertisement

কনটেনমেন্ট জোনে সাধারন মানুষের প্রয়োজনে পুলিশের পক্ষ থেকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ গতকাল বিকাল থেকেই শুরু হয়েছে কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে কড়া লকডাউন । আগে থেকেই পুলিশ প্রশাসন থেকে মাইকে প্রচার কিম্বা বিভিন্ন এলাকা বাঁশ বা ব্যারিকেট দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে । এবার সাধারন মানুষের প্রয়োজনে পুলিশের পক্ষ থেকে কনটেনমেন্ট জোনে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হচ্ছে । এর মাধ্যমেও সাধারন মানুষের জিনিষের বা সমস্যার প্রয়োজন মেটাবেন পুলিশ প্রশাসন ।

যে হারে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বেড়ে চলেছে তাতে আগামী দিনে অনেকেই গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা করছেন । সবচেয়ে ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে চলেছে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হাওড়া জেলার বিভিন্ন অংশে । ফলে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টা থেকেই কনটেনমেন্ট জোনগুলিকে চিহ্নিত করে কড়া লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে । জারি করা হয়েছে নয়া নির্দেশিকা । এদিকে  কনটেনমেন্ট জোনের বাসিন্দাদের কোনও জিনিস প্রয়োজন হলে সেই প্রয়োজনীয় সামগ্রী নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে দেবে পুলিশ কর্মীরা। কাজের সুবিধার জন্য এবার তাই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হচ্ছে । লকডাউনে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে পুলিশের এই উদ্যোগে খুশি প্রত্যেকেই।

একদিকে কনটেনমেন্ট জোনগুলি চিহ্নিত করে কড়া লকডাউনের আওতায় আনার ফলে রাস্তা ঘাট, বাজার, যানবাহন, অফিস – সবকিছুর উপর কড়া নিয়ন্ত্রন থাকছে । রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ৭ দিনের জন্য এই নিয়মের কথা বলা হলেও পরিস্থিতি বিচার করে আগামীদিনে অনেক এলাকাতে এই সময়সীমা বাড়তে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে  ।কলকাতার কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে লকডাউন শুরু হওয়ার আগেই রাস্তায় নেমে পড়েছে পুলিশ। কোনও এলাকায় তৈরি হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। আবার কোথাও প্রত্যেক পরিবারের একজনের ফোন নম্বর নিয়ে রাখছেন সংশ্লিষ্ট থানার আধিকারিকরা। পুলিশ অফিসারদের ফোন নম্বর দেওয়া হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। বুধবারই পুলিশ কমিশনার প্রত্যেক পদমর্যাদার অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, লকডাউনে কোনও বৃদ্ধ-বৃদ্ধা যাতে সমস্যায় না পড়েন। সেই নির্দেশ মেনে যে প্রবীণ নাগরিকরা কলকাতা পুলিশের প্রকল্প ‘প্রণাম’-এর সদস্য, তাঁদের খবরাখবর নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন পুলিশ অফিসাররা। যাঁরা সদস্য নন, তাঁরাও যাতে অসুবিধায় না পড়েন, সেদিকেও রয়েছে পুলিশের নজর।

মন্তব্য
Loading...