সময়ের সাথে হাত মিলিয়ে

এ কি বিপত্তি ! ভোট চাইতে গিয়ে বেধড়ক ধোলাই খেলেন বিধায়ক

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ যত বড় নেতাই হোক না কেন, ভোটের সময় বিনীত আবেদনে ভোট প্রার্থনা করতেই হবে । কেননা ভোট বড় বালাই ! এবার ঠিক সেই কাজটি করতে গিয়েই বেধড়ক মার খেয়ে ফিরতে হল নির্বাচিত বিধায়ককে । বিহারের বৈশালী জেলায় বিধানসভার ভোট প্রচারে গিয়ে রাষ্ট্রীয় জনতা দল ইউনাইটেডের একজন বিধায়কের সাথে এই ঘটনাটি ঘটেছে ।

ভারতবর্ষে ভোট এমনই জিনিষ, যেখানে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে ছোট বড় নেতাদেরও জন সমর্থন আদায় করতে রাস্তায় নামতে হবে । এই মুহূর্তে বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি  তুঙ্গে। করোনা শঙ্কা দূরে সরিয়ে রেখে প্রতিটি রাজনৈতিক দলই প্রচারে নেমেছে একেবারে আদাজল খেয়ে । কিন্তু ভোট ভিক্ষা করতে নেমে আমজনতার হাতে মার খাওয়া সচারচর দেখা যায় না । রাষ্ট্রীয় জনতা দল ইউনাইটেডের বিধায়ক উমেশ কুশোয়া এবার মার খেয়ে রীতিমত পালিয়ে এলেন প্রচার এলাকা থেকে ।

উমেশ কুশোয়া বিহার বিধানসভা ভোটের প্রচারে সমর্থকদের বিহারের বৈশালী জেলার এলাকায় এলাকায় ঘুরছিলেন । আর এই প্রচারেই সময় পড়লেন মহাবিপদে ।  জনতার দরবারে ভোট চাইতে গিয়ে তাঁকে প্রথমেই অভিযোগ শুনতে হল, তিনি নাকি গত পাঁচ বছরে  এলাকার উন্নয়নে কোনও কাজ করেননি ! তারপর তাঁর কাছে গত পাঁচ বছরের কাজের হিসাব চাইতে শুরু করেন সাধারণ মানুষ। সদুত্তর না পেয়ে ঘেরাও করে শুরু হয় মারধর ।

বিধায়ক উমেশ কুশোয়াকে স্থানীয় বাসিন্দারা সাফ জানিয়ে দেন, এবার কোনওমতেই তাঁরা একটি ভোটও জেডিইউ-এর নেতাকে দেবেন না। কারণ গত পাঁচ বছরে তাঁদের এলাকায় উন্নয়নমূলক একটি কাজও করেননি সেই বিধায়ক। উন্মত্ত সাধারণ জনতাকে কোনওরকমে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে এলাকা ছাড়েন বিধায়ক উমেশ। পুলিশ ও দেহরক্ষীদের সাহায্যে শেষমেষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন তিনি। কিন্তু তিনি এলাকা ছাড়ার পরও সাধারন মানুষ রাগে ফুঁসছে থাকেন।

তথ্যঃ Zee ২৪ ঘণ্টা

মন্তব্য
Loading...