সময়ের সাথে হাত মিলিয়ে

Advertisement

করোনাতঙ্কে রাজ্যের বিষ্ণুপুর শহরকে সম্পূর্ণ লকডাউন করার জোরাল দাবী উঠছে

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ গোটা দেশের পাশাপাশি রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি বেশ ভয়াবহ দিকে মোড় নিয়েছে । কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, কিম্বা হাওড়া জেলা ছাড়াও এবার করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বিষ্ণুপুরেও । সেখানে করোনা সংক্রমণের হার এতটাই উদ্ধমুখি যে, বিষ্ণুপুরের প্রাক্তন পৌরপ্রধান, বর্তমানে প্রশাসক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সহ অন্যান্য কো-অর্ডিনেটররা জোরাল দাবী তুলেছেন, সম্পূর্ণ বিষ্ণুপুর শহরকে পুরোপুরি লকডাউন ঘোষণা করা হোক ।

শুধু কলকাতা, হাওড়া কিম্বা দুই পরগনা নয়, অতিমারি করোনা ভাইরাস করোনার সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে । আনলক পর্যায়ে যেভাবে সব কিছুর উপর শিথিলতা আনা হয়েছিল, তার ফল ফলতে শুরু করেছে ইতিমধ্যে । রাজ্যের  জেলার অন্যান্য অংশের সঙ্গে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর পুর-এলাকাতেও করোনা সংক্রমণের হার উর্দ্ধমুখী। এই অবস্থায় সংক্রমণ ঠেকাতে বিষ্ণুপুর শহরে সম্পূর্ণ ‘লক ডাউন’ ঘোষণার দাবি জানালেন সদ্য প্রাক্তন পৌরপ্রধান, বর্তমানে প্রশাসক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সহ অন্যান্য কো-অর্ডিনেটররা। সোমবার সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন বিষ্ণুপুর মহকুমাশাসক অনুপ কুমার দত্তের কাছে গিয়ে তারা এই দাবি জানান।

ঐতিহাসিক এবং প্রাচীন শহর বিষ্ণুপুর

জানা গেছে, বিষ্ণুপুর শহরের  গোপালগঞ্জের এক যৌন কর্মী ও মুটুককঞ্জের বাসিন্দা, পুরসভার স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দু’জনই ওন্দা কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এরপরই রবিবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আগামী সাত দিনের জন্য পুরসভার সমস্ত ধরণের কাজ কর্ম বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করে পুর কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে শহর জুড়ে আগামী দশ দিন ‘লক ডাউন’ ঘোষণার দাবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই অনেকে মনে করছেন। বিষ্ণুপুর পুরসভার প্রশাসক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় মহকুমাশাসকের দফতর থেকে বেরিয়ে এসে বলেন, এই মুহূর্তে শহরের মানুষ যথেষ্ট আতঙ্ক আছেন।সবাই চাইছেন শহরে লক ডাউন জারি হোক। সেবিষয়েই মহকুমাশাসকের সঙ্গে আলোচনা হলো। পরবর্তী সিদ্ধান্ত টাস্ক ফোর্সের সভায় হবে বলে তিনি জানান।

গতকাল রাজ্যের স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনে করোনার আপডেট খবর থেকে কিছুটা স্বস্তির খবর পাওয়া গেছে । গত ২৪ ঘণ্টায় একটু হলেও গোটা রাজ্যে কমেছে করোনায় সংক্রমণ । সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১,৪৩৫ জন৷ গতকাল ছিল ১,৫৬০ জন।

মন্তব্য
Loading...