ইরানি দুতাবাসের আকাশে মার্কিন ব্ল্যাক হকের টহল, পরিস্থিতি আরও ঘোরাল হতে চলেছে

ক্রবার ভোর রাতে মার্কিন এয়ার স্ট্রাইক হামলায় হামলায় মৃত্যু হয়েছে  ইরানি কুদস সেনা প্রধান কাসেম সোলেমানির ৷ এছাড়াও  মৃত্যু হয়েছে আধাসেনার এক উচ্চ-পদস্থ অফিসার আবু মেহদি আল-মুহানদিস এবং বিমানবন্দরের প্রোটোকল অফিসার মহম্মদ রেদার। এবার আকশ সীমা লঙ্ঘন করে ভয়ানক মার্কিন হেলিকপ্টার ব্ল্যাক হকের টহল দিতে দেখা যাচ্ছে বাগদাদে অবস্থিত ইরানি দুতাবাসের আকাশে । অনেকে যে কোন সময় যুদ্ধের মত পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন ।

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ শুক্রবার ভোর রাতে মার্কিন এয়ার স্ট্রাইক হামলায় হামলায় মৃত্যু হয়েছে  ইরানি কুদস সেনা প্রধান কাসেম সোলেমানির ৷ এছাড়াও  মৃত্যু হয়েছে আধাসেনার এক উচ্চ-পদস্থ অফিসার আবু মেহদি আল-মুহানদিস এবং বিমানবন্দরের প্রোটোকল অফিসার মহম্মদ রেদার। এবার আকশ সীমা লঙ্ঘন করে ভয়ানক মার্কিন হেলিকপ্টার ব্ল্যাক হকের টহল দিতে দেখা যাচ্ছে বাগদাদে অবস্থিত ইরানি দুতাবাসের আকাশে । অনেকে যে কোন সময় যুদ্ধের মত পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন ।

ঘাঁটিতে ভয়াবহ মার্কিন বিমান হামলার জের ধরে বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসের সামনে যখন প্রচণ্ড বিক্ষোভ হচ্ছিল তখন ওই মার্কিন হেলিকপ্টার ইরান দূতাবাসের আকাশে টহল দেয় বলে জানাচ্ছে একাধিক সংবাদমাধ্যম।গত রবিবার ইরাকের জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী  হাশদ আশ-শাবির কয়েকটি ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়ে অন্তত ৩০ জনকে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে আমেরিকার বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয় স্থানীয়দের। দূতাবাসের একটি অংশে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়। ইরাক থেকে আমেরিকার সৈন্য প্রত্যাহার করার জন্য প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয় ।

হাশদ আশ-শাবির অন্যতম কমান্ডার জানাচ্ছেন, মার্কিন ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারটি গত তিন দিন ধরে প্রতিদিন ২০ ঘন্টা ধরে বাগদাদের আকাশে টহল দিয়েছে। এর আগে বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষুব্ধ জনতার বিক্ষোভের সময় কুয়েত থেকে অতিরিক্ত ১০০ সেনা হেলিকপ্টারে করে এনে দূতাবাসের নিরাপত্তা রক্ষায় মোতায়েন করা হয়। যদিও ওই ঘটনার তিন দিন পর উত্তেজনা কমে আসে । কিন্তু শুক্রবার ভোর রাতে পুনরায় মার্কিন এয়ার স্ট্রাইক হামলার ঘটনায় পরিস্থিতি অন্য দিকে মোড় নিতে পারে যে কোন সময় ।

মার্কিন এয়ার স্ট্রাইক হামলার ফলে ইরানি কুদস সেনা প্রধান কাসেম সোলেমানির মৃত্যু হয়েছে বলে ইরাকি সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে । এখনও পর্যন্ত ইরান থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি । তবে আগামিতে ইরান আমেরিকার এই দাদাগিরি খুব সহজে মেনে নেবে না সেটি প্রায় নিশ্চিত রূপে বলা যায় । এদিকে ইরাকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আন্দোলন ফের মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে । সব দিক দিয়ে বাগদাদে যে কোন সময় যুদ্ধ কালীন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে ।

আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
মন্তব্য
Loading...