পৃথিবীতে কে না না ধনী হতে চায় ? নিজেকে ধনী করার স্বপ্ন সকলের। যার যত বেশী আছে সে আরও বেশী ধনী হতে চায়। ধনী হওয়ার জন্য কতনা পদ্ধতি। হতে হবে লাখপতি, কোটিপতি। এখন আর কোটিপতি কোন হিসাবে ধরা হয় না। এগুলো পুরাতন শব্দ।
ধনী হওয়ার জন্য সবারই চেষ্টার সাথে ধর্মও ধনী হওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশলের কথা বলেছে। প্রথমেই ধরা যাক পৃথিবীর প্রাচীন ধর্ম হিন্দু ধর্ম। এই হিন্দু ধর্মে ধনী হওয়ার জন্য দেব দেবীর আরাধনা ও নিয়মিত শাস্ত্র চর্চার কথা বলা হয়েছে। হিন্দু ধর্মে ধন সম্পদের দেবতা হিসাবে কুবের, লক্ষ্মী ও গণেশ।
কুবের এমনই এক দেবতা যার নিয়মিতত আরাধনা করলে অর্থনৈতিক সমস্যা মিটে যায়। তাহলে প্রথমেই চেষ্টা করা যায় কুবেরর আরাধনা। নিয়মিত এই সর্বশক্তিমানকে পুজো করলে কর্মক্ষেত্রে আসতে পারে সফলতা। তারই পাশাপাশি কুবেরের পুজো করলে কোন অর্থনৈতিক সমস্যা ধারে কাছে ঘেষবে না। এর পর আসতে পারে মা লক্ষ্মীর পুজো। গুরুবারে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার শুদ্ধভাবে লক্ষ্মীর পাচালি পড়লে পরিবারের অর্থনৈতিক সমস্যা। যে গৃহস্থের বাড়িতে মা লক্ষ্মীর অধিষ্ঠান থাকে সেখানে অর্থনৈতিক সমস্যা থাকে না। ধনির তালিকায় উঠতে গেলে মা লক্ষ্মীর পুজো করায় অবহেলা করা উচিত হয়। কমক্ষেত্রে পদোন্নতী চাইলে পূর্ণিমা তিথীতে মা লক্ষ্মীর পুজো করা যেতে পারে। এর পরে আসে গনেশের নাম। সিদ্ধিদাতা গনেশ তিনি সব কাজেরই প্রথমে। গনেশের আরাধনায় আসতে পারে চুড়ান্ত সাফল্য। সহজ উপায়ে ধনী হওয়ার জন্য আরাধনা অন্যতম কৌশল।
এবার আমরা একটু ঘরে আসি ইসলাম ধর্মের মতামতে ধনী হওয়ার কৌশল। অর্থ বিলাসিতা মানুষের স্বভাবজাত। ইসলামও তাই এর বিরোধীতা করেনি। ইসলাম আয়ের কৌশলকে রাখতে বলেছে হালাল বা বৈধ পন্থায়। বৈধ পন্থায় ধনী হওয়াতে ইসলামের কোন বিধি নিষেধ নাই। ইসলামে ধনী হওয়ার কিছু সহজ পথ উপায় আছে। তার মধ্যে বিবাহ অন্যতম। বিবাহ করে ধনী হওয়ার জন্য ইসলামে বিভিন্ন ভাগ রয়েছে। তাই সহজ উপায়ে ধনী হওয়ার কৌশল হতে পারে বিবাহ করা।
ধনী হতে চাইলে নিজের কাজে বা কাজের দ্বারা ধনী হওয়ার জন্য। কিছু বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। যেমন প্রত্যেকটি টাকা খরচ করার আগে ভাবতে হবে টাকার খরচ সঠিক হচ্ছে কিনা? ধনী হতে গেলে সঞ্চয়ী হতে হবে। আয়ের চেয়ে বেশি বা বাজে খরচ করা যাবে না। কাজকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে। সঠিক ও উপযুক্ত জায়গা দেখে বিনিয়োগ করতে হবে। আর্থিক লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। পরিশ্রম করতে হবে। কারণ পরিশ্রমই ফেরাতে পারে ভাগ্য।