সময়ের সাথে হাত মিলিয়ে

মাদার টেরেসার জীবনী (Mother Teresa Paragraph)

                    Mother Teresa(Mother Teresa Paragraph)

August 10, 1910, was born in the state of Ottoman, Agnes Gonza Bojaxin, who is known worldwide as ‘Mother Teresa’ by her work. He was an Albanian descendant. His father’s name was Nicolo, and mother’s name was Drana Boyzur. His father Nicolò was a politician. At the age of 9, he became a father-in-law. Then his mother observed him in Roman Catholic ideology. At the age of 12, he made the decision of monastic life and at the age of 18 he left home. Then he started his work as a missionary. He later became an Indian Catholic monk.


Working Life:

Agnes Gonza Bojaxin first went to Rorthfarnham in Ireland to learn about English language at Loreto Abbey. Then he came to India in 1929 and 31 started his career as an innovator. On 24th May, 1931 the saint took the oath of ‘Mother Teresa’ and started teaching at a convent school in Kolkata. In 1937, his oath was finalized.

Already in school, his heart began to become concerned for poor people in Calcutta. On September 10, 1946, he went to Darjeeling for religious unions, and as a result, he got a strange experience. Whom he later called as ‘another calling within the call’. Then started in 1946 due to the Hindu-Muslim riots and in the year 1950, due to the tragedy and death of the common people of Calcutta, which left a deep impression in his mind.

Mother Teresa getting Nobel Peace Prize


In 1948, he started preaching in the middle of the poor people of Calcutta. In this case, he wear white sari on the blue side. Then he started his work by establishing a school in Motijheel, accepting Indian citizenship. Then he came forward to help hungry and destitute people in the slums. He used to go home from house to house, prepare food for his poor and hungry food. For these reasons he has been frustrated many times.

Then in the year 1950 the Vatican got the permission of the ‘Diocesan missionary group’, which was later known as the Missionaries of Charity. He started this charity with just 13 members, now there are more than 4000 monks. Here refugees from different parts of the world are looked after, treated with various patients, elderly, old age, disaster victims and people. In 1952, he established the first shelter and service center in Calcutta. Also, a renowned Hindu temple was changed to Kalighat Home for the Dying which was a charitable treatment center. This is known as ‘Nirmal Hridaya’.

Later, he opened a service center called ‘Shanti Nagar’ for the lepers. In 1955, he established a building named ‘Nirmal Shishu Bhavan’ for the children of his association. He also established a large number of charitable medical centers, orphanages and refugee camps around India.

International Work:

In 1965, he established shelters in Venezuela outside India first. Later, he developed shelter centers in Tanzania, Rome and Austria. In 1970, its branches were opened in Asia, Africa, America and Europe. He thought, “It is possible to go to the Lord Jesus through hardship”. In 1982, during the Siege of Beirut, 37 children were rescued in the hospital. At that time, many countries in Europe were prohibited from preaching, but in 1980 their influence was very low, so that he started his charity work in Eastern Europe and succeeded. At this time, he was flabbergasted against abortion and divorce. For this reason he had to be much criticized.

In 1991, he came to Albania in his birth place and established the Missionaries of Charity Brothers Home. By the end of 1996, with the help of only 12 members, he carried 517 mission campaigns in nearly 100 countries of the world. In 1984, about 19 branches of Charity started working actively. On September 4, 2013, the title of ‘saint’ was given at St Peter’s Square in Vertican City.


In 1962, he received Padma Shri and Ramon Magsaysay Award. Jawaharlal Nehru Award in 1969. Peace Prize in 1971, Templeton Prize in 1973, Albert Setter International Award in 1975, Pasim In Terris Award in 1976, Balzan Award in 1978, Paternal Medal Nobel Peace Prize in 1979, Bharat Ratna in 1980, President Medal in 1985, State Gold Medal in 1994 And won the Congressional Gold Medal in 1997.

Living Life:

During his visit to Rome in 1983, he was first affected by heart disease. Then, again in 1989, he got sick for the same reason, which is why he is replaced by a wormful pacemaker. While in Mexico in 1991, he was diagnosed with pneumonia, resulting in further deterioration of his physical condition. In August 1996, he became infected with malaria. Finally, on 5th September 1997, he passed away.

মাদার টেরেসা (Mother Teresa Paragraph)


১৯১০ সালের ১০ই আগস্ট অটোম্যান রাজ্যের ইউস্কুবে তে জন্মগ্রহণ করেন অ্যাগনেস গঞ্জা বোজাক্সিন যিনি তার সুকর্মের দ্বারা সারা বিশ্বে ‘মাদার তেরেসা’ নামে পরিচিত। তিনি ছিলেন একজন আলবেনীয় বংশোদ্ভুত। তার বাবার নাম ছিল নিকোলো এবং মায়ের নাম ছিল দ্রানা বয়াজুর। তার বাবা নিকোলো ছিলেন রাজনীতিবিদ। মাত্র ৯ বছর বয়সে তিনি পিতৃহারা হন। তারপর তার মা তাকে রোমান ক্যাথলিক আদর্শে পালন করেন। মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি সন্ন্যাস জীবনের সিদ্ধান্ত নেন এবং ১৮ বছর বয়সে তিনি গৃহত্যাগ করেন। এরপর তিনি একটি ধর্মপ্রচারক হিসেবে তার কাজ শুরু করেন। পরবর্তীকালে তিনি একজন ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী হন। (Mother Teresa Paragraph)

Saint Mother Teresa

কর্মজীবন(Mother Teresa Paragraph):

অ্যাগনেস গঞ্জা বোজাক্সিন প্রথমে আয়ারল্যান্ডের রথফার্নহামের লরেটো অ্যাবেতে ইংরেজি ভাষা সম্পর্কে জ্ঞান আহরন করতে যান। এরপর ১৯২৯ সালে তিনি ভারতে আসেন এবং৩১ একজন নবদীক্ষিত হিসেবে তার কাজ শুরু করেন। ১৯৩১ সালের ২৪ শে মে শপথ গ্রহনের মাধ্যমে সন্ত ‘মাদার তেরেসা’ নাম গ্রহণ করেন সাথে কলকাতার একটি কনভেন্ট স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। ১৯৩৭ সালে তার এই শপথ চূড়ান্ত হয়।

ইতিমধ্যেই স্কুলে পড়ানোর সাথে সাথে কলকাতাবাসী দরিদ্র মানুষদের জন্য তার হৃদয় উদ্বিগ্ন হতে শুরু করে। ১৯৪৬ সালের ১০ই   সেপ্টেম্বর তিনি ধর্মীয় নির্জনবাসের জন্য দার্জিলিং যান, এর ফলস্বরূপ তিনি এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যাকে পরবর্তীকালে তিনি ‘আহ্বানের ভেতর আরেক আহ্বান‘ নামে আখ্যা দেন। এরপরই শুরু হয় ১৯৪৬ সালের হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার কারণে এবং ১৯৫০ সালের মন্বন্তর যার ফলে কলকাতা শহরে শুরু হয় দুর্দশা ও সাধারন মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু যা তার মনে এক গভীর ছাপ ফেলে যায়।

১৯৪৮ সালে তিনি কলকাতায় অবস্থিত দরিদ্র শ্রেণির মানুষদের মাঝে ধর্মপ্রচার শুরু করেন। এক্ষেত্রে তিনি পরিধান করেন নীল পাড় দেওয়া সাদা শাড়ি। তারপর ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করে মতিঝিলে একটি স্কুল স্থাপনের মধ্য দিয়ে তার কাজ শুরু করেন। এরপর বস্তি এলাকার ক্ষুধার্ত ও নিঃস্ব লোকজনকে সাহায্য করার জন্য তিনি এগিয়ে আসেন। প্রথমে তার গরীব ও ক্ষুধার্ত দের খাবার জোগাড়ের জন্য তিনি ঘরে ঘরে ঘুরতেন, খাবার জোগাড় করতেন। এইসব কারণে তিনি অনেকবার হতাশাগ্রস্থও হয়েছেন।

এরপর ১৯৫০ সালে ‘ডায়োসিসান ধর্মপ্রচারকদের সংঘ‘ করার জন্য ভ্যাটিকানের অনুমতি পান যা পরবর্তী কালে ‘মিশনারিস অফ চ্যারিটি’ হিসেবে  পরিচিতি পায়। তিনি এই চ্যারিটি শুরু করেছিলেন মাত্র ১৩ জন সদস্য নিয়ে, বর্তমানে এখানে ৪০০০ জনেরও বেশী সন্ন্যাসিনী রয়েছেন। এখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শরণার্থী, বিভিন্ন রোগাক্রান্ত মানুষ, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, দুর্যোগগ্রস্থ, মানুষদের চিকিৎসা সহ দেখাশোনা করা হয়। ১৯৫২ সালে তিনি কলকাতায় প্রথম একটি আশ্রয় ও সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলেন। এছাড়াও একটি পরিত্যাক্ত হিন্দু মন্দিরকে ‘কালীঘাট হোম ফর দ্য ডাইয়িং‘ এ পরিবর্তিত করেন যা ছিল একটি দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র। এটিই ‘নির্মল হৃদয়’ নামে পরিচিত।

এরপর তিনি কুষ্ঠরোগীদের জন্য ‘শান্তি নগর’ নামে একটি সেবা কেন্দ্র খোলেন। ১৯৫৫ সালে তার সঙ্ঘের শিশুদের জন্য তিনি ‘নির্মল শিশু ভবন‘ নামে একটি ভবন স্থাপন করেন। এছাড়াও ভারতের প্রায় সর্বত্র তিনি প্রচুর দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র, এতিমখানা, শরণার্থী শিবির প্রতিষ্ঠা করেন।

Mother Teresa in India

আন্তর্জাতিক কর্ম(Mother Teresa Paragraph):

১৯৬৫ সালে প্রথম ভারতের বাইরে ভেনেজুয়েলায় তিনি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করেন। এরপর ক্রমে ক্রমে তানজানিয়া, রোম, অস্ট্রিয়াতেও আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলেন তিনি। ১৯৭০ সালে এশিয়া, আফ্রিকা, আমেরিকা ও ইউরোপে এর শাখা খোলা হয়। তিনি মনে করতেন, ‘কষ্টের মাধ্যমেই প্রভু যীশুর কাছে যাওয়া সম্ভব’। ১৯৮২ সালে বৈরুত অবরোধের সংকটের সময় হাসপাতালে আটকে যাওয়া ৩৭ জন শিশুকে উদ্ধার করেন। সেসময়ে ইউরোপের অনেক দেশে ধর্মপ্রচার নিষিদ্ধ থাকলেও ১৯৮০ তে তার প্রভাব অনেক কমে যায় যার ফলে তিনি তার চ্যারিটির কাজ পূর্ব ইউরোপে শুরু করেন এবং তা সফল হয়। এইসময়েই গর্ভপাত ও বিবাহবিচ্ছেদের বিরুদ্ধে তিনি সরব হন। এই কারণে তাকে অনেক সমালোচিত হতে হয়।

১৯৯১ সালে তিনি তার জন্মস্থান আলবেনিয়াতে আসেন এবং সেখানে ‘মিশনারিস অফ চ্যারিটি ব্রাদার্স হোম’ স্থাপন করেন। ১৯৯৬ সালের মধ্যে মাত্র ১২ জন সদস্যের সাহায্যে তিনি পৃথিবীর প্রায় ১০০ টি দেশে মোট ৫১৭ টি ধর্মপ্রচার অভিযান চালান। ১৯৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে চ্যারিটির প্রায় ১৯ টি শাখা সক্রিয় ভাবে কাজ করা আরম্ভ করে।

২০১৬ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর ভার্টিক্যান সিটির সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে ‘সন্ত’ উপাধি দেওয়া হয়।

পুরষ্কার ও সম্মান:

১৯৬২ সালে তিনি পদ্মশ্রী ও রামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান। ১৯৬৯ সালে জওহরলাল নেহেরু পুরস্কার পান। ১৯৭১ সালে শান্তি পুরষ্কার, ১৯৭৩ সালে টেম্পলেটন পুরস্কার, ১৯৭৫ সালে আলবার্ট সেটজার আন্তর্জাতিক পুরস্কার, ১৯৭৬ সালে পাসিম ইন টেররিস পুরস্কার, ১৯৭৮ সালে বালজান পুরস্কার, ১৯৭৯ সালে প্যাট্রনাল মেডেল নোবেল শান্তি পুরস্কার, ১৯৮০ সালে ভারতরত্ন, ১৯৮৫ সালে রাষ্ট্রপতি পদক, ১৯৯৪ সালে রাষ্ট্রীয় স্বর্ণপদক এবং ১৯৯৭ সালে কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল প্রভৃতি পুরস্কার অর্জন করেন।

Mother Teresa getting Nobel Peace Prize


১৯৮৩ সালে রোম সফরের সময় তিনি প্রথম হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এরপর ১৯৮৯ সালে ফের একই কারণে অসুস্থ হন তিনি যার কারণে তার দেহে কৃত্তিম পেসমেকার যন্ত্র প্রতিস্থাপন করা হয়। ১৯৯১ সালে মেক্সিকোতে থাকাকালীন তিনি নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হন যার ফলে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। ১৯৯৬ সালের আগস্টে তিনি ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্ত হন। অবশেষে ১৯৯৭ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর তিনি পরলোক গমন করেন।