চাকরি ও সাংবাদিকতা একই সাথে-শরণখোলার তিন সাংবাদিককে হাই কোর্টের রুল

0

সাংবাদিকতার সাথে অনেক ব্যাক্তিই আছেন যারা চাকরি করেন। তার মধ্যে কেউ কেউ আছেন সরকারি চাকরি করেন। সরকারি চাকরির পাশাপাশি সাংবাদিকতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না জানতে তিন সাংবাদিকের নামে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। গত ৩১ জুলাই মাননীয় বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান এবং বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল জারী করেন। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

যে সকল সাংবাদিকের নামে রুল জারি হয়েছেন তারা হলেন, শরণখোলা সরকারি কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল পত্রিকার নিজস্ব সংবাদদাতা বাবুল দাস ওরফে সুভাষ চন্দ্র দাস, একই কলেজের কারিগরি শাখার ডেমো কাম মেকানিক ও দৈনিক সময়ের খবর পত্রিকার প্রতিনিধি মো. মনিরুজ্জামান আকন এবং রায়েন্দা সরকারি পাইলট হাই স্কুলের গ্রন্থাগারিক (লাইব্রেরীয়ান) ও দৈনিক সমকাল পত্রিকার প্রতিনিধি হুমায়ুন কবির।

হাইকোর্ট একই সাথে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিব, শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক, বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা), শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শরণখোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. নূরুল আলম ফকির এবং রায়েন্দা সরকারি পাইলট হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. সুলতান আহমেদ গাজীর কাছে এ রুলের জবাব চেয়েছেন।

এছাড়া শরণখোলা প্রেসকাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ১৪ জুলাই একরিট পিটিশন দায়ের করেন। রিট পরিচালনাকারী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. হাসান তারিক চৌধূরী।

প্রসঙ্গত বলা যায় ঐ তিন সাংবাদিকের চাকরি সরকারি হলেও তারা সংবাদিকতা পরিচালনা এবং প্রেসক্লাব থেকে পদত্যাগ না করায় আইনি প্রতিকার চেয়ে তাদের বিরুদ্ধে শরণখোলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইসমাইল হোসেন লিটন সম্প্রতি বাগেরহাটের শরণখোলা সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার খবর জানতে পেরে বাবুল দাস ওরফে সুভাষ চন্দ্র দাস সাধারণ পরিষদের সভার আগেই তড়িঘড়ি করে একতরফাভাবে পূনরায় সভাপতি পদ দখল করে একটি কমিটি ঘোষনা করেন। যা নিয়ে পেশাদার সাংবাদিকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
মন্তব্য
Loading...