৫০ কোটি গ্রাহকের লক্ষ্যমাত্রা হাতের কাছে চলে এসেছে ‘জিও’

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্ক: একসময় ভারতের টেলিকম ব্যবস্থায় শীর্ষ স্থানে প্রতিযোগিতা করতো তিনটি কোম্পানি, যথা – ‘ভোডাফোন’, ‘আইডিয়া’ এবং ‘ভারতী এয়ারটেল’। কখনও এ এগিয়ে থাকে তো কখনও ও। কিন্তু বাজারে আসার সাথে সাথেই অল্প কিছু দিনের মধ্যে এই তিন টেলিকম কোম্পানিকে পিছনে ফেলে শীর্ষ স্থান দখল করে বসে রিলায়েন্স গ্রুপের অন্তর্গত টেলিকম কোম্পানি ‘জিও’।

খুব বেশী দিন হয়নি, ‘ভোডাফোন’ এবং ‘আইডিয়া’-র ২০২০ সালের আর্থিক বছরের প্রথম কোয়ার্টারের লাভের হিসাব চোখের সামনে এসেছে। এমন আশঙ্কাজনক অবস্থা দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে কোম্পানি দুটি। রিপোর্টে দেখা গেছে যে ৪,৮৭৩.৯ কোটি টাকার মতো লোকসান করে বসে আছে ‘ভোডাফোন’ এবং ‘আইডিয়া’।

এর কিছুদিনের মধ্যেই ‘ভারতী এয়ারটেল’ এর ২০২০ সালের আর্থিক বছরের প্রথম কোয়ার্টারের ফলাফল চোখের সামনে হাজির হলো, তাদের অবস্থাও বিশেষ কিছু ভালো না। যেখানে গত বছরের ঠিক এই সময়ে আর্থিক বর্ষে প্রায় ৯৭ কোটি টাকা মতো লাভের হিসেব দেখিয়েছিল তাঁরা, সেখানে এই আর্থিক বর্ষে ২,৮৬৬ কোটি টাকার মতো লোকসান করেছে ‘ভারতী এয়ারটেল’। আর এর ফলেই নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে টেলিকম সংস্থা ‘ভারতী এয়ারটেল’।

থেমে থাকেনি ‘জিও’ও। মোবাইল নেটওয়ার্কিং এর পর ‘জিও’ বাজারে আনতে চলেছে তাঁদের সম্পূর্ণ নতুন আরেকটি পরিষেবা ‘জিও গিগা ফাইবার’। ভারতের বাজারে সম্পূর্ণরূপে মুক্তি পাওয়ার পর গিগা ফাইবারও যে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই নিজের সাফল্য প্রমাণ করবে, তা অনুমান করা যাচ্ছে।

গত মাসে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী জানানো হয়েছিল যে, ‘জিও’-র মোট গ্রাহক সংখ্যা ৩৩.১১ কোটি। এরপর সম্প্রতি সোমবার (১২ই আগস্ট) কোম্পানির বার্ষিক সাধারন সভায় রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুকেশ আম্বানি জানিয়েছেন যে ইতিমধ্যে ‘জিও’-র গ্রাহক সংখ্যা ৩৪ কোটি ছাড়িয়েছে।

আম্বানি বলেন, “ইতিমধ্যেই জিও-র গ্রাহক সংখ্যা ৩৪ কোটি ছাড়িয়েছে। বিশ্বের সবথেকে দ্রুত এগিয়ে চলা ডিজিটাল সার্ভিস জিও।”

সোমবার এই বার্ষিক সাধারন সভার মুকেশ আম্বানি জানিয়েছেন যে, সমীক্ষা অনুযায়ী প্রতি মাসে গড়ে ১ কোটি নতুন গ্রাহক ‘জিও’ নেটওয়ার্কে যোগ দিয়েছেন। তিনি জানান যে, ৫০ কোটি গ্রাহকের লক্ষ্যমাত্রা হাতের কাছে চলে এসেছে।

আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
মন্তব্য
Loading...