সময়ের সাথে হাত মিলিয়ে

Advertisement

ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় মৃতের সংখ্যা ৯০, আহত হয়েছে বহু মানুষ

ফের দিনের ব্যস্ত সময়ে সেই মেগাদিশুরই একটি চেক পয়েন্টে বিস্ফোরক বোঝাই করা গাড়ী উড়িয়ে দেয় জঙ্গিরা । মারা গেছেন ৯০ জন মানুষ, যাদের মধ্যে বেশীর ভাগ পড়ুয়া । এছাড়াও ১৭ জন পুলিশ অফিসার রয়েছেন বলে খবর । 

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ ফের সোমালিয়ায় আত্মঘাতী হামলায় প্রাণ হারাল ৯০ জন নিরীহ মানুষ, আহত হয়েছেন বহু মানুষ । তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে । সোমালিয়ার মেগাদিশু অঞ্চলে জঙ্গিরা আত্মঘাতী হামলা করে উড়িয়ে দিল বিস্ফোরক বোঝাই করা গোটা গাড়ী ।

২০১৭ সালে সোমালিয়ার মেগাদিশুতে পর পর দুইটি গাড়ী বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল । সেবার প্রাণ হারিয়েছিল ১৮৯ জন নিরীহ মানুষ । ফের দিনের ব্যস্ত সময়ে সেই মেগাদিশুরই একটি চেক পয়েন্টে বিস্ফোরক বোঝাই করা গাড়ী উড়িয়ে দেয় জঙ্গিরা । মারা গেছেন ৯০ জন মানুষ, যাদের মধ্যে বেশীর ভাগ পড়ুয়া । এছাড়াও ১৭ জন পুলিশ অফিসার রয়েছেন বলে খবর ।

সোমালিয়ার বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই তীব্র ছিল যে গোটা এলাকা কেঁপে উঠে । বিস্ফোরণের স্থানে থাকা কয়েকটা বাস ও গাড়ী উড়ে যায় ।  মোগাদিশুর একটি চেকপয়েন্টের কাছে এই বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি রাখা ছিল।সেখানে  পড়ুয়াদের পাশাপাশি পর্যটকদের ভিড়ও ছিল।স্থানীয় প্রশাসন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আহতদের উদ্ধার কাজে নেমেছে । আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক ।  আশঙ্কা করা হচ্ছে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে ।

সোমালিয়া সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত কোন জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি । তবে সন্দেহ করা হচ্ছে আল কায়দা ঘনিষ্ঠ ইসলামিক সংগঠন আল শাবাবের হাত রয়েছে এই আত্মঘাতীর হামলার পিছনে। কারন একসময় সুদানে  আস্তানা ছিল আল কায়দা নেতা ওসামা বিন লাদেনের।  আল কায়দার শীর্ষস্তরের অনেক নেতাই সুদানে নিরাপদ আশ্রয়ে ছিল। সুদানের একাধিক অঞ্চলে এর পরে আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হানা শুরু করলে কোণঠাসা হয়ে পড়ে আল কায়দা। প্রভাব বাড়ে ইসলামিক জেহাদি জঙ্গি গোষ্ঠী আল শাবাব। গোয়েন্দারা মনে করেন, সুদানের পরে সোমালিয়া তাদের শক্ত ঘাঁটি হয়ে উঠেছে।

মন্তব্য
Loading...