উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক ঋণ নিতে গেলে কি কি জিনিস মাথায় রাখা দরকার জেনে নিন

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ এমন অনেক মেধাবী আছে যারা প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয় । দেখা গেছে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর উচ্চ শিক্ষার সুযোগ আসে । এই সময় দরকার হয় এককালীন বেশ মোটা টাকা । আর এই প্রয়োজনীয় টাকা সময় মত জোগাড় না করতে পারলে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ হাত ছাড়া হয়ে যায় প্রায়শই । তবে এই টাকার যোগান শিক্ষা ঋণ বা এডুকেশন লোন নিয়ে মেটানো সম্ভব ।

তবে শিক্ষা ঋণ বা এডুকেশন লোন অন্যান্য ব্যাঙ্ক ঋণের থেকে আলাদা । শিক্ষা ঋণ বা এডুকেশন লোনের আবেদন করার আগে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে রাখা ভাল ।

  • শিক্ষা ঋণ বা এডুকেশন লোনের জন্য ব্যাঙ্ক নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । এই ঋণের জন্য গড়ে ১২ শতাংশ থেকে ১৬ শতাংশ পর্যন্ত সুদ ধার্য হয়। প্রত্যেকটি ব্যাংকের  আলাদা সুদের হার ।এই কারনে, এই লোনের জন্য আবেদন করার আগে ব্যাংক বাজার ডট কমে বিভিন্ন ব্যাংকের লোন, সুদের পরিমাণ এবং শর্তাবলি আগে তুলনা করে ব্যাঙ্ক নির্বাচন করতে পারলে সুবিধা হবে।
  • গড়ে ১০ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা এডুকেশন লোন পাওয়া যায়। বিদেশে পড়তে যাওয়ার ক্ষেত্রে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন পাওয়া যায়। যদি এডুকেশন লোনের পরিমাণ ৪ লক্ষের কম হয়, তবে কোনও সিকিউরিটি বা গ্যারান্টারের প্রয়োজন হয় না।
  • কোর্স শেষ হওয়ার পরে যখন আবেদনকারী চাকরি করতে শুরু করেন, তখন থেকেই লোন পরিশোধ করা শুরু হয়। সাধারণত ৫ থেকে ৭ বছর লোনের ইএমআই দিতে হয়।
  • মহিলা আবেদনকারীদের জন্য অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাংক সুদের হারে ছাড় দিয়ে থাকে। আবেদনকারীর পারিবারিক আয় এবং কী ধরনের কোর্সের জন্য আবেদন করা হচ্ছে তা মূলত খতিয়ে দেখা হয় আবেদন মঞ্জুর করার ক্ষেত্রে।
  • যে ইন্সটিটিউশনে পড়তে যাচ্ছেন সেখানকার ইস্যু করা অ্যাডমিশন লেটারের ফোটোকপি এবং অরিজিনাল দু’টিই প্রয়োজন হবে আবেদন করার সময়ে।
  • এডুকেশন লোনের আবেদন করার আগে  অ্যাড্রেস প্রুফ, বয়সের প্রমাণপত্র এবং ন্যাশনালিটি প্রুফ বা প্যান কার্ড সামনে রাখতে হবে । তবে যদি আবেদনকারীর পাসপোর্ট থাকে, তাহলে পাসপোর্ট অনেক কিছুর প্রামান্য দলিল হিসাবে দেখাতে পারবে ।
  • যে ঋণের আবেদনই করুন না কেন মাধ্যমিক থেকে শেষ পরীক্ষা পর্যন্ত সবক’টির মার্কশিটের অ্যাটেস্টেড ফোটোকপি জমা দিতে হবে। সঙ্গে রাখতে হবে অরিজিনাল।
  • যদি উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে পড়ার সুযোগ পায়, তাহলে বিদেশে পড়ার ক্ষেত্রে আই-২০ ফর্মও প্রয়োজন হবে । তাছাড়া পাসপোর্ট এবং ভিসাও থাকতে হবে।
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
মন্তব্য
Loading...