সময়ের সাথে হাত মিলিয়ে

Advertisement

আপনার শিশু যেসকল কারণে স্কুল যেতে চায় না?

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্ক: আপনার শিশু স্কুলে যেতে চায় না। বলার পরে অনেক সময় আপনি থাকে রাগ করেন আবার বলে ঠিক আছে যাওয়া লাগবে না। শিশু স্কুলে যাওয়ার আগে প্রতিদিনই কোন না কোন সমস্যার কথা বলে। মাথাব্যথা, পেটব্যথা, বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট, দম বন্ধ লাগা- এসব সমস্যার কথা বলে। স্কুলের সব একাডেমিক বিষয়ে তারা চরম অনীহা প্রকাশ করে। একেই `স্কুল-ফোবিয়া` বলে। অভিভাবক হিসাবে আপনি কি কখনো আপনার শিশু স্কুলে যেতে চায় না তার কারণ কি খুজে দেখেছেন? আসুন আজ আমরা জানার চেষ্টা করি যেসব সম্ভাব্য কারণে শিশুরা স্কুলে যেতে চায় না-

অভিভাবকের কাছে থাকতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করা: অনেক শিশু আছে সে বাইরে ভয় পায়। সে মা-বাবা অথবা যার কাছে বাচ্চাটি থাকতে স্বাচ্ছন্দ্ বোধ করে, এমন মানুষের কাছ থেকে আলাদা হওয়ার ভয়। এক্ষেত্রে প্রথম দিকে শিশু যার কাছে থাকতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে তার সাথে স্কুলে পাঠান।

রাস্তা ঘাটের বিরক্তি: স্কুলের রাস্তা-ঘাট, বাস, রিকশা, জ্যাম, গরম অথবা যে কোনো বিষয়ের প্রতি বিরক্তি, যা তার মনে বিরক্তি ভাব নিয়ে আসতে পারে।

বিদ্যালয়ে ক্ষুধা লাগা-দীর্ঘক্ষন স্কুলে থাকায় অনেক শিশুর ক্ষুধা লাগে। খাবারের ব্যবস্থা না থাকায় শিশু বিদ্যালয়কে এড়িয়ে চলতে চায়।

স্কুলে টয়লেট সমস্যা-বিশেষ করে মেয়েদের জন্য টয়লেট ব্যবস্থা না থাকা এবং টয়লেট পরিস্কার না থাকা বিদ্যালয়ে শিশুদের অনীহা তৈরি করে।

বিশেষ বিষয়ে দুর্বলতা: পাঠ্য বিশেষ কোন বিষয় যেমন গণিত, ইংরেজি এর কোনটি না বুঝতে পারা শিশুদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার অনীহা তৈরি করে।

শিক্ষার্থীর সাথে বিরূপ আচরণ: কোন সহপাঠীর সাথে আপনার শিশুর যদি বিরূপ আচরণ থাকে তবে শিশু বিদ্যালয় মুখী না থাকতে পারে।

শিক্ষকের সাথে বিরূপ সম্পর্ক: অনেক শিক্ষক থাকেন তারা ছাত্রদের ছোট করার চেষ্টা করে

অভিভাবকদের খেয়াল না রাখা: স্কুল এবং শিশুর দিকে অভিভাবকদের খেয়াল না রাখায় স্কুলের প্রতি অনিহা তৈরি হয়।

ফলাফলের বিষয়ে অতিরিক্ত চাপ দেওয়া: অভিভাবকরা শিশুদের ফলাফল বিষয়ে অতিরিক্ত চাপ দেওয়া বা বকাঝকা করার ফলে বিদ্যালয়ের প্রতি শিশুদের অনীহা তৈরি হয়।

বিদ্যালয়ে যেতে না চাওয়ায় অনেক অভিভাবক শিশুকে বকাঝকা করেন যার ফলে মানসিক রোগ তৈরি হতে পারে। শারীরিক সমস্যা থাকলে তা নিরূপণ করতে হবে। এরকম সমস্যা হলে অভিভাবককে শিশু বিশেষজ্ঞর সাথে আলোচনা করে শিশুর আচরণগত দিকে লক্ষ রাখতে হবে।

মন্তব্য
Loading...