সময়ের সাথে হাত মিলিয়ে

নিজের দেশেই ফের অপমানের শিকার হলেন ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা

ফেসবুক হল সারা বিশ্বের সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর প্রাণ। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ যুক্ত এই ফেসবুকের সাথে। এই কোটি কোটি মানুষেরই অসংখ্য গোপনীয় তথ্য প্রতিনিয়ত শেয়ার হয় এই ফেসবুকে। যার গোপনীয়তা রক্ষার দায়িত্ব হল ফেসবুকের। কিন্তু ফেসবুক এই গোপনীয় তথ্য রক্ষা করতে পারেনি। ফলে তাদের ভর্তে হচ্ছে প্রচুর জরিমানা।

এই তথ্য কেলেঙ্কারির ব্যাপারে গতবছর তদন্ত শেষ করেছে মার্কিন ফেডারেল ট্রেড কমিশন।যাতে উঠে আসে তথ্য গোপনীয়তা রক্ষার ব্যার্থতার অভিযোগ।যার ফলে উঠে আসে জরিমানার প্রশ্ন এবং তদন্ত শেষে দেখা যায় প্রায় ৩০০-৫০০ কোটি ডলার জরিমানা গুনতে হতে পারে ফেসবুকের।বুধবার এই প্রসঙ্গটি সর্বসমক্ষে নিয়ে আসে ফেসবুক। এবছর প্রথম তিন মাসের অর্থনৈতিক হিসেব তারা প্রকাশ করেছে এবং তাতে তারা প্রায় ২৪০ কোটি ডলারের মুনাফা দেখিয়েছে যা গতবছরের তুলনায় ৫১ ভাগ কম। তবে এই তিন মাসে ফেসবুকের মোট আয় হয়েছে প্রায় দেড়হাজার কোটি ডলার যা গতবছরের তুলনায় প্রায় ২৬ ভাগ বেশী।

ফেসবুক যেহেতু এফটিসি র সাথে গোপনীয়তা রক্ষার অঙ্গীকার রক্ষা করতে পারেনি তাই ফেসবুকের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়েছে এবং এর আগেও এফটিসি অন্যান্য ইন্টারনেট ভিত্তিক কোম্পানিগুলোকে জরিমানা করেছে। এর আগে ২০১২ সালে  এফটিসি র  নীতি লঙ্ঘন করায় গুগলকেও তারা ৫০০০ কোটি ডলার জরিমানা করেছিল।

তবে  এফটিসি জানায় যে তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় ফেসবুক আরও কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং এই নীতিকে কার্যকর করতে মোট খরচের প্রায় ১০ ভাগ বাড়ানো হবে বলে জানা যাচ্ছে। ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রভাব সৃষ্টি করার জন্য ফেসবুকের তথ্য কেমব্রিজ আন্যালিটিকার কাছে বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল মার্ক জুকারবারগের বিরুদ্ধে যার ফলে এই জরিমানা। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুকের জরিমানা দেওয়ার ঘটনা এই প্রথম।

মন্তব্য
Loading...