সময়ের সাথে হাত মিলিয়ে

Advertisement

চীনের বিরুদ্ধে ভারতকে অনুসরণ আমেরিকার ! এবার টিকটক ব্যান ঘোষণা ট্রাম্পের

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ লাদাখ সীমান্তে ভারতীয় এবং চীনা সেনাদের মধ্যে সীমান্ত নিয়ে সংঘাতের পরেই ক্রমশ উত্তেজনা ছড়িয়েছে এই দুই দেশে । তারপর চীনের বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসতে শুরু করেছে তাবড় তাবড় শক্তিশালী দেশ । চীনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ভারতে আগেই নিষিদ্ধ হয়েছে চিনা ভিডিও অ্যাপ টিকটক। এবার ভারতকে অনুসরণ করে আমেরিকাতেও টিকটক নিষিদ্ধ ঘোষণা করল ট্রাম্প প্রশাসন ।

শুক্রবার ফ্লোরিডা থেকে ফেরার পরে এয়ার ফোর্স ওয়ানের সাংবাদিকদের আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা আমেরিকা থেকে টিকটক নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে চলেছি। আমার এই অধিকার রয়েছে।’ আশা করা হচ্ছে শনিবার থেকেই ট্রাম্পের ঘোষণা কার্যকরী করা হবে । জানা গিয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এই অ্যাপের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তারা জানিয়েছে, এই অ্যাপের মাধ্যমে গোপনে তথ্য সংগ্রহ করছে চিন। এই একই অভিযোগ উঠেছিল ভারতেও।

ভারতের সুরক্ষা ব্যবস্থার উপর নজরদারি চালাচ্ছে, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অন্যান্য ৫৯ টি অ্যাপের সাথে  টিকটক ভারতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল । এখন ভারতের মতই একই অভিযোগ তুলেছে মার্কিন প্রশাসন টিকটকের বিরুদ্ধে । যদিও   টিকটকের তরফে বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

আমেরিকা বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার কারন হিসাবে প্রথম থেকেই অভিযোগ করে আসছে চীনের বিরুদ্ধে । দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আধিপত্য খর্ব করতেও পেন্টাগন উঠে পড়ে লেগেছে । এদিকে ভারতের সাথে চীনের সম্পর্ক অবনতি হতেই ইসরায়েল, জাপান, ভিয়েতনাম, অস্ট্রেলিয়ার মত শক্তিশালী দেশ একের পর এক সমর্থন জানিয়ে ভারতের পাশে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে ।

আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত এবং মারা গেছে ।ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের অভিযোগ  চিন ইচ্ছে করে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে। চিনকে সমর্থন করার অভিযোগ তুলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দেওয়া ফান্ডও বন্ধ করে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। যদিও নিজেদের উপর ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে শি জিংপিং সরকার। কয়েক দিন আগে আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী মাইক পম্পেও অভিযোগ করেন, টিকটকের মাধ্যমে আমেরিকানদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করছে চিন। গত বৃহস্পতিবার ভারতের ১০৬টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘ভারত টিকটক- সহ ১০৬টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে। ভারতীয় নাগরিকদের গোপনীয়তা ও সুরক্ষা ঝুঁকির মুখে পড়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।’

মন্তব্য
Loading...