সময়ের সাথে হাত মিলিয়ে

Advertisement

অ্যামাজনের মালিক জেফ বেজোস ব্যাক্তিগত সম্পদের পরিমাণে রেকর্ড করলেন

বর্তমানে অ্যামাজনের মালিক জেফ বেজোস যে পরিমাণ অর্থের মালিক, যা বিশ্বে কেউ কখনও হতে পারেনি ।

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ গোটা বিশ্বের অর্থনীতি যখন করোনার কবলে ধুঁকছে ঠিক তখন নিজের সম্পদের পরিমাণ বাড়িয়ে অ্যামাজনের মালিক জেফ বেজোস এখন এমন এক শীর্ষে পৌঁছে গেছেন, যেখানে এখন পর্যন্ত কেউ যেতে পারেননি। বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ২০০ বিলিয়ন (২০ হাজার কোটি) ডলারের মালিক হয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছেন অ্যামাজন সিইও জেফ বেজোস ।  বুধবার মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস জানায়, বেজোসের আগে কেউই ২০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেননি।

কিভাবে জেফ বেজোস এত বেশি অর্থের মালিক হলেন ! বলা হচ্ছে করোনা অন্যদের ব্যবসার উপর প্রভাব ফেললেও অ্যামাজনের কাছে আশীর্বাদ হয়েছে । কারন পরিসংখ্যান  গত কয়েকমাসে বেড়েই চলেছে ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজনের শেয়ার। লকডাউনে ঘরবন্দী মানুষের অনলাইনে কেনাকাটায় বৃদ্ধি পাওয়ায় মহামারীতে সবচেয়ে বেশি চাঙা ছিল অ্যামাজনের ব্যবসা। বুধবার অ্যামাজনের শেয়ারের দর ২ শতাংশ বৃদ্ধির পায়, এতে বেজোসের সম্পদ বাড়ে প্রায় ৪৯০ কোটি ডলার। এর সঙ্গে সঙ্গেই তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রথমবারের মতো ২০ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়।

অ্যামাজনের প্রথম অফিসে জেফ বেজোস

বুধবার প্রায় ৪০ বছর ধরে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের সম্পদের হিসাব রাখা ফোর্বস জানায়, ৫৬ বছর বয়সী বেজোসের আগে কেউই এ মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেননি। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমাণ ২০ হাজার ৪৬০ কোটি ডলার। জেফ বেজোসের জীবনী থেকেই জানা যায়  ঝুঁকি নিয়ে সফল হওয়ার এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন তিনি। বিশ্বের সেরা অনলাইন শপ আমাজন.কম এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, এবং ওয়াশিংটন পোস্ট এর বর্তমান মালিক জেফ এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছেতে নিয়েছেন একের পর যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ।

জেফ বেজোসকে বলা হয় ই কমার্সের পথিকৃৎ । amazon.com এর প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের জন্ম ১৯৬৪ সালের ১২ই জানুয়ারী, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোতে। ছোটবেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি দারুন আগ্রহ ছিলো। তিনি পড়াশুনা করেছিলেন কম্পিউটার সাইন্স ও ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে।ছাত্র জীবনে রেকর্ড নম্বর নিয়ে সব সময় পাশ করেছেন তিনি । একসময় গ্রাজুয়েশনের পর তিনি ওয়াল স্ট্রিটে কাজ করতে শুরু করেন এবং ১৯৯০ সালে ইনভেস্টমেন্ট ফার্ম “D. E. Shaw” – এর ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হন। কিন্তু ৪বছর পরই তিনি এই লোভনীয় চাকরিটি ছেড়ে দিয়ে amazon প্রতিষ্ঠার কাজে হাত দেন।

২০১৮ এর জানুয়ারিতে ব্লুমবার্গের হিসেব মতে তাঁর মোট সম্পদের পরিমান গননা করা হয় ১১৮.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার – অর্থা‌ৎ প্রায় এগারো হাজার দুইশো কোটি মার্কিন ডলার । তাঁর আগে পৃথিবীর ইতিহাসে হাতে গোণা কয়েকজন মানুষ এত সম্পদের মালিক হতে পেরেছেন। কিন্তু এবার যে পরিমাণ সম্পদের মালিক হলেন আম্যাজনের মালিক জেফ বেজোস, সেই পরিমাণ সম্পদের মালিক গোটা বিশ্বে এখনও পর্যন্ত কেউ কখনও হতে পারেনি । আর এখন ত অ্যামাজনের মালিক জেফ সবে সর্বোচ্চ সম্পদের মালিকের মাইল ফলক ছুঁলেন, সামনে ত আরও পথ চলা বাকি । কোন অংকে গিয়ে আগামি দিনে তাঁর সম্পদের মুল্য দাঁড়াবে তিনি নিজেই কি জানেন ?

মন্তব্য
Loading...