সময়ের সাথে হাত মিলিয়ে

Advertisement

মহারাষ্ট্রের পর ঝাড়খণ্ডে ফের গাড্ডায় পড়তে চলেছে গেরুয়া শিবির

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ মহারাষ্ট্রে বিজেপির দীর্ঘ দিনের মিত্র দল শিবসেনা বেশ কিছুটা অসস্তিতে ফেলে দিয়েছে গেরুয়া দলকে । এবার ভোটের আগেই শরিক নিয়ে ফের বিপাকে পড়তে চলেছে শাসক দল ।

মতের মিল না হওয়ায় মোদীর মন্ত্রী সভা থেকে পদত্যাগ করে বিজেপির প্রায় তিরিশ বছরের শরিক শিবসেনা । এর পর তারা নিজেরাই সরকার গঠনের জন্য আলাদাভাবে তোড়জোড় করতে চলেছে ।  এবার ঝাড়খণ্ডেও শরিকদের নিয়ে ভোটের আগে বিপাকে পড়েছে নরেন্দ্র মোদীর দল । শরিক দলের মধ্যে ইতিমধ্যেই মত বিরোধ দেখা দিয়েছে  ক’টি আসনে লড়বে তা নিয়ে ।    উল্লেখ্য, আগামী ৩০শে নভেম্বর ঝাড়খণ্ডে শুরু হবে নির্বাচন । সেখানে  শাসক দলের দুই শরিক দল অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন  লোক জনশক্তি পার্টি  ।

ঝাড়খণ্ডে চলতি মাসের ৩০ তারিখ থেকে শুরু হবে নির্বাচন । নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটদান পর্ব চলবে মোট পাঁচ দফায় ।

অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন  দলের সঙ্গে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে চক্রধরপুর আসন নিয়ে। সেখানে বিজেপির পক্ষে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন  রাজ্যের শীর্ষস্থানীয় নেতা লক্ষ্মণ গিলুয়াকে ।কিন্তু সমস্যা হল, সেখানে শরিক দল অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়নও  সেখানে প্রার্থী দিয়েছে । শরিক দলের সাথে সমঝোতা করে  ওই আসনে যাতে দুই শরিক দলের লড়াই না হয় সেই সমস্যা মেটাবার জন্য বিজেপির নেতারা দফায় দফায় আলোচনা শুরু করেছেন ।

উল্লেখ্য শরিক দলের সাথে বিরোধ বা মত পার্থক্য হচ্ছে  আসন নিয়ে । ঝাড়খণ্ডে বিধানসভায় মোট  আসনের সংখ্যা ৮১ টি । শরিক দল অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন  দাবি করেছে, ৮১ টি আসনের মধ্যে তাদের সাথে  ১৯টি আসনে সমঝোতা করতে দিতে হবে । কিন্তু বিজেপি চাইছে তাদের ন’টির মত আসন দিতে । কিন্তু দেখা গেছে, অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন  ইতিমধ্যে ১২ টি আসনে নিজেদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে । সেখানে মোট চারটি আসন সিমারিয়া, সিন্দরি, মান্ডু ও চক্রধরপুরে তারা প্রার্থী দিয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে ।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এলজেপি বিজেপির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়েছিল। সেবার এলজেপিকে দেওয়া হয়েছিল মাত্র একটি আসন। সেই আসনে দলের প্রার্থী পরাজিত হন। এখন ওই দলকে পরিচালনা করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ানের ছেলে চিরাগ পাসোয়ান । তাঁরা জারমুন্ডি, নালা, হুসেইনাবাদ, বারকাগাঁও, লাতেহার ও পানকি, এই ৬ টি আসন দাবী করে বসে আছে । ফলে বিজেপি প্রথম দফায় ৫২ জন প্রাথির নাম ঘোষণা করলেও মত পার্থক্য হেতু দ্বিতীয় দফায় নতুন নাম গুলি ঘোষণা করতে পারছে না ।  

গতবারের ফলাফলে অবশ্য বিজেপি ভাল ফল করেছিল ।  ২০১৪ সালের বিধানসভা ভোটে ঝাড়খণ্ডে বিজেপি ৭২ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। এজেএসইউ প্রার্থী দিয়েছিল আটটি আসনে। বিজেপি পেয়েছিল ৩৭ টি আসন। এজেএসইউ পেয়েছিল পাঁচটি।

মন্তব্য
Loading...