গাড়ি চালানো শেখাটা সবারই স্বপ্ন। নিজের কাজে তো বটেই, মনের ইচ্ছেও পূরণ হয়। কিন্তু এই যাত্রার প্রথম ধাপটা যে কত সহজ সরল, অনেকেই তা ভাবেন না। ওই ধাপটার নামই লার্নার্স লাইসেন্স।
আগেকার দিনে RTO-র দরজায় ঘন্টা পাঁচেক দাঁড়িয়ে থাকতে হত। এখন এড়নেকটা পুরোপুরি অনলাইনে হয়।
লার্নার্স লাইসেন্স কী, কেন দরকার
এটা আসলে নতুন চালকদের ছোট অনুমতিপত্র। ছয় মাসের জন্য বৈধ থাকে। এই সময়ের ভেতরে অভিজ্ঞ চালকের পাশে বসে অনুশীলন করা যায়।
পূর্ণ ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে গেলে আগে এই ধাপটা মানতেই হয়। মানে সিঁড়ির প্রথম ধাপ, এটা পেরুলেই বাকিটা সহজ।
অনলাইনে আবেদনের ধাপগুলো
পুরো প্রক্রিয়া সাজানো সার্থি পোর্টালের উপর। নিচের ধাপগুলো একে একে মিলিয়ে নিলেই কাছাকাছি। ভুল বসে গেলে পরে ফিরে এসে ঠিক করা যায়।
- প্রথমে সারথি পোর্টাল খুলুন
- রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ বেছে নিন
- ড্রাইভিং লাইসেন্স মেনু থেকে লার্নার্স লাইসেন্স বেছে নিন
- নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, আধার নম্বর দিন
- ছবি আর স্বাক্ষর আপলোড করুন
- সবশেষে ফি পরিশোধ করে আবেদনটা জমা দিন
ফি নিয়ে হিসাব পুরোপুরি পরিষ্কার। আবেদনের ১৫০ টাকা, পরীক্ষার জন্য আলাদা হয়ে ৫০ টাকা।
কোন কাগজপত্র হাতে লাগবে
আবেদনের আগে কাগজগুলো গুছিয়ে রাখুন। ভালো করে মিলিয়ে দেখুন। একটু ভুলও পরে বাড়তি ঝামেলা বাঁধায়।
- আধার কার্ড ছবির প্রমাণ হিসেবে
- ভোটার কার্ড কিংবা পাসপোর্ট বয়সের জন্য
- ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে আধার বা ভোটার
- পাসপোর্ট সাইজের ছবি, স্বাক্ষর
- সক্রিয় মোবাইল নম্বর
আরও পড়ুন: ভোটার কার্ড অনলাইনে বানানোর গাইড, ভোটার না থাকলে আধার দিয়েই চলবে। শুধু নাম, ঠিকানা সব জায়গায় এক থাকুক, তাহলেই শান্তি।
পরীক্ষাটা কেমন, কতটা কঠিন
আবেদনট মেন হলে পরে অনলাইনেই এক টেস্ট দিতে হয়। প্রশ্ন ট্রাফিক নিয়মকে ঘিরেই। সময় নিয়ে বসা ছাড়া আর কিছুই নয়।
সহজ লিখেই ভাবছেন, আসলেই কঠিন নয়। কটা বেসিক নিয়ম মনে রাখুন। কম পড়ে গেলে আবারও ফি দিয়ে চেষ্টা করা যায়। ভয় পাওয়ার মতো কিছুই নেই।
উপসংহার
মোটকথা, প্রক্রিয়াটা আর কঠিন নয়। কাগজপত্র ঠিক থাকলে একদিনেই কাজ সেরে যায়। তাড়াহুড়ো ছেড়ে ধাপে ধাপে এগোলেই যথেষ্ট।
সন্দেহ থাকলে সরকারি সাইটটা নিজেই খুলে দেখে নিন, নিয়মকানুন সব লেখা থাকে সেখানে। শুরুটা করাই আসল কাজ।








