বিয়ের পিঁড়িতে শাওনের মুখে একটুও হাসি নেই। সিঁদুর দানের সময় এসে গেছে। অথচ সে জানে, এই বিয়ে সে চায়নি। বাবার কথায় বাধ্য হয়ে তাকে বসে থাকতে হয়েছে। ঠিক তখনই যা ঘটল, তাতে চোখ কপালে উঠল গোটা বাড়ির মানুষের।
জি বাংলার ধারাবাহিক সাত পাকে বাঁধা-য় এই মোড়ে বাড়ছে নাটকের আমেজ। নতুন টুইস্ট মিস করতে চান না দর্শকরা। কারা অভিনয় করছেন, গল্পটা কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, আর রাত ৯টার স্লটে কার সঙ্গে পাল্লা, জেনে নেওয়া যাক খুঁটিনাটি।
বিয়ের পিঁড়িতে হঠাৎ কী ঘটল?
শাওনের বিয়ে নিয়ে এতদিন ধরে মেতে ছিল গোটা বাড়ি। কিন্তু যার বিয়ে, তারই মুখে ছিল না হাসি। বিয়ের পিঁড়িতে সিঁদুর দানের সময় যখন এল, তখন আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না সে। নিজের কপালের টিকলি সরিয়ে সবাইকে দেখিয়ে দিল, সে আগে থেকেই বিবাহিত।
সিথিতে সিঁদুর দেখে চমকে গেলেন সবাই। শাওনের বাবা তো স্তম্ভিত। মেয়েকে তিনি প্রশ্ন করলেন, কার নামের সিঁদুর পড়েছে তার কপালে। বাবার রাগেও ভয় পেল না শাওন। বিয়ের পিঁড়ি ছেড়ে উঠে গিয়ে দাঁড়াল শুভর পাশে। হাত ধরে জানিয়ে দিল, তার স্বামী শুভ। এত বড় ঘোষণা মেনে নেবেন কি সবাই? কী বলবেন!
কে কে এই ধারাবাহিকে?

শুভ চরিত্রে অভিনয় করছেন রাহুল মজুমদার। এই ধারাবাহিক দিয়েই কিছুদিন পর ছোট পর্দায় ফিরেছেন তিনি। তার বিপরীতে শাওন চরিত্রে নবাগতা সম্পূর্ণা রক্ষিত। দুজনের এই জুটিকে দর্শকরা ইতিমধ্যে বেশ পছন্দ করেছেন।
শাওনের বাবার ভূমিকায় দেবদূত ঘোষ। পিসির চরিত্রে দেখা যায় চান্দ্রেয়ী ঘোষকে। এঁদের অভিনয়েই গল্পটা গড়ে উঠছে।
গল্পটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াল?
শাওন আসলে এক শিক্ষামন্ত্রীর মেয়ে। রাজপ্রাসাদের মতো বাড়ি, অথচ বাবা তাকে ভালোবাসেন না। ভালোবাসার কাঙ্গাল সে। বাড়ির পাশেই থাকে ছা-পোষা কর্মী শুভ। ওই একটাই তফাত, শুভর জীবন ভালোবাসায় ভরা। ধনী কন্যা আর গরিব যুবকের এই গল্পের কোন পথ গেছে, সেটাই দেখার বিষয়।
মাঝে মা নন্দিতার আসল পরিচয়ও জানতে পেরেছে শাওন। ছোটবেলায় মায়ের সান্নিধ্য না পাওয়ায় শুভর সাধারণ পরিবারকেই যেন মেনে নিতে চায় সে। এই প্রেক্ষাপটেই বাবা চাপিয়ে দিচ্ছেন নিজের পছন্দের বিয়ে। ঠিক তখনই বিয়ের পিঁড়িতে শাওনের সেই ঘোষণা। এবার বাকিটা কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
রাত ৯টার স্লটে কার সঙ্গে লড়াই?
আগে এই সময়ে সম্প্রচার হতো জোয়ার ভাটা। নয়া সূচি অনুযায়ী জোয়ার ভাটা চলে গেছে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে, আর রাত ৯টায় এসেছে সাত পাকে বাঁধা। এই স্লটেই স্টার জলসায় চলে চিরসখা, তাই দর্শক টানতে দুটি চ্যানেলের সরাসরি লড়াই। এই টক্করেই রেটিং তালিকা বদলে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।
সিরিয়ালটির নয়া প্রোমোয় যে মুহূর্তটা ফুটে উঠেছে, তাতে গোটা গল্পই যেন বদলে গেছে। আরও বিস্তারিত জানতে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদনটা দেখতে পারেন এখানে।
জি বাংলার আরেক জনপ্রিয় ধারাবাহিক দুলারী-র ৫০ পর্বের মোড়, জগদ্ধাত্রী সিরিয়ালের টুইস্টও ভালোবাসেন দর্শকরা। নতুন এই ধারাবাহিকটিও কি সেই সাফল্য ছুঁতে পারবে। বলে রাখুন, প্রতিযোগিতা মোটেও কম না।








