Close Menu
Bong DuniaBong Dunia
  • বর্তমান খবর
  • বিনোদন
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা ও চাকরি
  • ভারত
  • বিদেশ

Subscribe to Updates

Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

What's Hot
প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মাণ্ডন যোজনা ২০২৬ - কৃষক হাতে পেনশন পাসবুক নিয়ে দাঁড়িয়ে

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনা ২০২৬: কৃষকদের জন্য মাসিক ৩,০০০ টাকা পেনশনের সম্পূর্ণ গাইড

21st July 2026
সুনীল ছেত্রীর জীবনী: ভারতীয় ফুটবলের অমর কিংবদন্তি ও পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত 1

সুনীল ছেত্রীর জীবনী: ভারতীয় ফুটবলের অমর কিংবদন্তি ও পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত

21st July 2026
মেষ রাশির রাশিফল ২০২৬ - Aries horoscope 2026 Bengali

মেষ রাশির রাশিফল ২০২৬: কেরিয়ার, প্রেম ও অর্থ – বিস্তারিত ভবিষ্যদ্বাণী

21st July 2026
Facebook WhatsApp
Facebook WhatsApp
Bong DuniaBong Dunia
Join Whatsapp
  • বর্তমান খবর
    প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মাণ্ডন যোজনা ২০২৬ - কৃষক হাতে পেনশন পাসবুক নিয়ে দাঁড়িয়ে

    প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনা ২০২৬: কৃষকদের জন্য মাসিক ৩,০০০ টাকা পেনশনের সম্পূর্ণ গাইড

    21st July 2026
    মেষ রাশির রাশিফল ২০২৬ - Aries horoscope 2026 Bengali

    মেষ রাশির রাশিফল ২০২৬: কেরিয়ার, প্রেম ও অর্থ – বিস্তারিত ভবিষ্যদ্বাণী

    21st July 2026
    দৈনন্দিন জীবনে AI টুলস ব্যবহার - ফিচার্ড ইমেজ

    দৈনন্দিন জীবনে AI টুলস: কাজ সহজ করার ৫টি অসাধারণ উপায়

    21st July 2026
    মানসিক চাপ কমানোর উপায় - ধ্যান ও যোগাভ্যাসের মাধ্যমে স্ট্রেস মুক্তি

    দৈনন্দিন জীবনে মানসিক চাপ কমানোর সহজ উপায়: স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের কার্যকরী টিপস

    18th July 2026
    স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রা স্মার্টফোনের ফিচার ও ডিজাইন

    স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রা ২০২৬: দাম, স্পেসিফিকেশন ও নতুন ফিচার

    18th July 2026
  • বিনোদন
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা ও চাকরি
  • ভারত
  • বিদেশ
Bong DuniaBong Dunia
প্রথম পাতা » বর্তমান সময় » বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান, সুন্দরবনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য যায়গা: কোথায় থাকবেন, কিভাবে যাবেন?
বর্তমান সময়

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান, সুন্দরবনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য যায়গা: কোথায় থাকবেন, কিভাবে যাবেন?

By Shuva11th October 2019
বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান এর মধ্যে অন্যতম সুন্দরবন। বাংলাদেশ ভারত জুড়ে সুন্দরবন হলেও বাংলাদেশের সুন্দরবন ভ্রমণের জন্য একটি বিশেষ স্থান। গঙ্গা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর অববাহিকায় এ বনভূমি রয়েছে। ভারতের বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের দুইটি জেলায় বিস্তৃত হলেও বাংলাদেশের তিনটি জেলায় বিস্তৃত। ম্যানগ্রোফ জাতীয় বন হিসাবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখন্ড বনভূমি সুন্দরবন। বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় সুন্দরবন অবস্থিত। ১০০০০ বর্গকিলোমিটার সুন্দরবনের ৬০১৭ বর্গকিলোমিটারই বাংলাদেশে। ১৯৮৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে সুন্দরবনের নাম তালিকাভুক্ত করেন। ২০১৫ সালের জরিপ অনুযায়ী সুন্দরবনে মোট ১৮০টি বাঘ রয়েছে যার মধ্যে বাংলাদেশের সীমানায় আছে ১০৬টি আর ভারতে আছে ৭৪টি। তবে বন বিভাগের তথ্যমতে ২০১৫ সালের পরে সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে আরো একটি জরিপ চালানো হয়, সেই জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের সুন্দরবন অংশে এখন বাঘের সংখ্যা ১১৪টি। সুন্দরবনে রয়েলবেঙ্গল টাইগার ছাড়াও রয়েছে বানর, হরিণ, বনমোরগ, কুমির, ডলফিন, অজগর আর বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী। সুন্দরবনের প্রধান বনজ বৈচিত্র্যের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সুন্দরী, গেওয়া, গরান এবং কেওড়া গাছ। এছাড়াও প্রায় তিন শতাধিক প্রজাতির গাছ রয়েছে সুন্দরবনে। রয়েছে আড়াই শতাধিক প্রজাতির পাখি, দুই শতাধিক প্রজাতির মাছ, ১৪ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪২ প্রজাতির বন্যপ্রাণীসহ ৩২ প্রজাতির চিংড়ি।

ধারণা করা হয় সুন্দরী গাছ থেকে সুন্দরবন নামকরণ হয়েছে। তবে এ বিষয়ে গবেষকদের ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, জীববৈচিত্র্যে ভরপুর ও ইতিহাস ঐতিহ্যের অন্যতম স্থান সুন্দরবন। প্রতিদিন বাংলাদেশের সুন্দরবন অংশে হাজার হাজার পর্যটক আসে। এ কারণে বাংলাদেশের ভ্রমণস্থানের মধ্যে অন্যতম সুন্দরবন।

বাংলাদেশের এ আকর্ষণীয় ভ্রমণস্থান সুন্দরবনে আপনিও ইচ্ছা করলে যেতে পারেন। সুন্দরবনে ভ্রমণ করতে চাইলে আপনি কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন, কী খাবেন আর আত্মীয়দের জন্য কী নিতে পারেন সেসব বিষয় আজ আমরা জানার চেষ্টা করব।

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান

সুন্দরবনে যাওয়ার উপযুক্ত সময়: সুন্দরবনে সারা বছরই যাওয়া যায় তবে অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়টাই সুন্দরবনে যাওয়ার উপযুক্ত সময়।

যোগাযোগ ব্যবস্থা: সুন্দরবনে আপনি বাংলাদেশের যেকোন জায়গা থেকে এসে মূলত: তিনটি জেলা থেকে যাওয়া যায়। বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা। প্রত্যেকটি জেলায় ট্যুরিস্ট বিভিন্ন কোম্পানী ও হোটেল রয়েছে যারা ট্যুর অপারেট করে থাকে। তবে ট্যুরের প্রকার স্থান অনুযায়ী খরচ বাড়া কমা হতে পারে। জেলা ওয়ারী টুরিস্ট স্পট ও থাকার স্থান আমরা আপনাদের পরবর্তী অংশে জানানর চেষ্টা করব।

করমজল পর্যটন কেন্দ্র : করমজল যেতে হলে মংলা ঘাট থেকে নৌপথে যেতে হবে। মোংলা ঘাটে অনেক ধরনের ছোট বড় নৌযান রয়েছে। লোকসংখ্যা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ভাড়ায় এগুলো চলাচল করে। করমজল পশুর নদীর তীরে অবস্থিত। বন বিভাগের নিয়ন্ত্রনে প্রায় ৩০ হেক্টর জমিতে এই পর্যটন কেন্দ্রটি। করমজলে ঢুকেই সুন্দরবনের একটি ধারনা পাওয়া যাবে মানচিত্রে। এর পর কাঠের ট্রেইল ধরে হাটলে বানর ও বিভিন্ন ধরনের গাছ চোখে পড়বে। সরকারি নিয়ন্ত্রণে কুমির প্রজনন কেন্দ্র রয়েছে। ওয়াচ টাওয়ার থেকে দূরবর্তী সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। কাঠের ট্রেইলে হাটার সময় বিশ্রামের জায়গা রয়েছে। মংলা থেকে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করমজল পর্যটন কেন্দ্রে পৌঁছাতে এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। বাংলাদেশি ও বিদেশী পর্যটকের জন্য করমজল পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ মূল্য যথাক্রমে ২০ এবং ৩০০ টাকা। বাংলাদেশি ছাত্র ও গবেষকরা ২০ ও ৪০ টাকার বিনিময়ে প্রবেশ করতে পারেন। অবশ্য বিদেশী গবেষকদের করমজলে প্রবেশের জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়। বারো বছরের নিচে যেকেউ করমজলে প্রবেশ করতে ১০ টাকার টিকেট কাটতে হবে। ভিডিও ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশের জন্য এখানে ক্যামেরাপ্রতি অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। বাংলাদেশীদের জন্য এই চার্জ ২০০ টাকা এবং বিদেশি জন্য ৩০০ টাকা। করমজল পর্যটন কেন্দ্র থেকে দিনে ফিরে আসলে মংলায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মোটেল পশুরে থাকা যাবে। এছাড়াও মংলা শহরে সাধারণ মানের হোটেলগুলো আছে। খুলনা ফিরে এলে বিভিন্ন মানের আবাসিক হোটেল পাওয়া যাবে থাকার জন্যে। করমজল যেতে পশুর নদী পাড়ি দিতে হয়। এই নদী সবসময়ই কম-বেশি উত্তাল থাকে। তাই ভালো মানের ইঞ্জিন নৌকা নিয়ে যাওয়া উচিৎ। এছাড়া বন রক্ষী ছাড়া জঙ্গলের ভেতরে ঢুকবেন না। হরিণ ও কুমির প্রজনন কেন্দ্রের কোন প্রাণীকে খাবার দিবেন না।

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান, সুন্দরবনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য যায়গা: কোথায় থাকবেন, কিভাবে যাবেন? 2

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান

কটকা সমুদ্র সৈকত: বাংলাদেশের ভ্রমণস্থানের মধ্যে সুন্দরবনের অন্যতম আকর্ষণ কটকা। কটকা যাওয়ার জন্য বাগেরহাট জেলার মংলা থেকে লঞ্চ যোগে যেতে হবে। কটকার খালে লঞ্চ থেকে নেমে এই অভয়ারণ্য ভ্রমণ করা যাবে। কটকার অন্যতম আকর্ষণ চিত্রা হরিণ। তবে রয়েল বেঙ্গল টাইগার দেখার চিন্তা না করাই ভাল। কটকা খালের পশ্চিম পাড়ে বন বিভাগের কার্যালয় রয়েছে। বনের দক্ষিণে কিছুক্ষণ হাঁটলে চোখে পড়বে পরপর তিনটি টাইগার টিলা। এ টিলায় প্রায়ই বাঘের পায়ের ছাপ দেখা যায়। টাইগার টিলা থেকে সামান্য পশ্চিমে বয়ার খাল। খালের দুই পাশ কেওড়া, গোলপাতা আর নানান পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে আছে চারপাশ। সুন্দর সমুদ্র সৈকত আছে এখানে। পর্যবেক্ষণ টাওয়ার হতে ফেরার সময় হেঁটে বীচের সৌন্দর্য্য উপভোগ করা যায়। পূর্বে দীর্ঘ বন আর মাঝে মিঠা জলের পুকুর। এই পুকুরের পানি পান করেন কর্মরত কোস্টগার্ড, ফরেস্ট অফিসার ও স্থানীয় জেলেরা। কটকা ওয়াচ টাওয়ারকে পিছু ফেলে সোজা উত্তরে প্রায় তিন কিলোমিটার হেঁটে গেলে জামতলা সমুদ্র সৈকত। পথে চলতে চলতে বিভিন্ন আকারের জামগাছ সৈকতটির নামের সার্থকতা খুঁজে পাওয়া যায়। জামতলা সৈকতটি নির্জন এবং পরিচ্ছন্ন। বেলাভূমিজুড়ে শুধুই দেখা যায় কাঁকড়াদের শিল্পকর্ম। কোথাও কোথাও দেখা যায়, জোয়ারের ঢেউয়ে ধুয়ে যাওয়া গাছের শেকড়। সৈকতটি সোজা পুবে গিয়ে শেষ হয়েছে কচিখালিতে। জামতলা সমুদ্র সৈকতটি স্নানের (গোছল) জন্য আদর্শ জায়গা নয়।

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান, সুন্দরবনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য যায়গা: কোথায় থাকবেন, কিভাবে যাবেন? 3

বর্তমানে ছোট-বড় শতাধিক ট্যুর অপারেটর প্রতিষ্ঠান সুন্দরবনে পর্যটন ব্যবসায় নিয়োজিত। যেকোনো ভাল ট্যুর কোম্পানির সাথে চুক্তি করে সুন্দরবনে যাওয়া যায়। সুন্দরবনে যাওয়ার পর ট্যুর কোম্পানির লোকদের সহায়তায় যেতে পারবেন কটকাতয়া। রাজধানী ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে খুলনা, বাগেরহাটগামী বাস কিংবা কমলাপুর ট্রেনে করে খুলনা এসে রুপসা বা বাগেরহাটের মংলা থেকে পাবেন লঞ্চ। এছাড়া বাগেরহাটের মংলা, মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা থেকে পাবেন সুন্দরবনে যাওয়ার নৌযান। কটকা সমুদ্র সৈকতের পাশের অভয়ারণ্য টাইগার পয়েন্ট হিসাবে পরিচিত। কটকা রেস্ট হাউজে রুম নিতে লাগে ২০০০ টাকা। বিদেশি ভ্রমণকারীদের এই সব রেস্ট হাউজে রাত কাটাতে রুম প্রতি ৫০০০ টাকা দিতে হয়।

আরও পড়ুনঃ- কুয়াকাটার দর্শনীয় স্থানসমূহ; সাগরকণ্যা কুয়াকাটায় কোথায় যাবেন আর কোথায় থাকবেন

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান

হিরণ পয়েন্ট: হিরণ পয়েন্ট সুন্দরবনের দক্ষিণাংশের একটি সংরক্ষিত অভয়ারণ্য। এর আরেক নাম নীল কমল। প্রমত্তা কুঙ্গা নদীর পশ্চিম তীরে খুলনা রেঞ্জে এর অবস্থান। হিরণ পয়েন্ট ইউনেস্কো ঘোষিত অন্যতম একটি বিশ্ব ঐতিহ্য। জায়গাটি মূলত নৌবাহিনীর অধীনে। শুরুতেই একটি রিসোর্ট রয়েছে। একটি পাড় বাঁধানো মিঠা পানির পুকুর আর রয়েছে বন বিভাগের সুন্দর অফিস। পুকুর পাড়ের পাশেই ওয়াচ টাওয়ার।কাঠের গেটে লেখা দেখবেন ‘নীলকমলে স্বাগতম’। হিরণ পয়েন্টে গেলেই কাঠের একটি ট্রেইল পাবেন। এই ট্রেইলটি ধরে বনের ভেতরে অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারবেন, নিজের কাছেই তখন মনে হবে হয়তো হারিয়ে যাচ্ছেন গহীন বনে। হিরন পয়েন্ট থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে কেওড়াসুঠিতে রয়েছে একটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার (ওয়াচ টাওয়ার), যা থেকে আশপাশের প্রকৃতি দেখার ব্যবস্থা রয়েছে।নীলকমল কক্ষ প্রতি ৩০০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়। বিদেশি ভ্রমণকারীদের এই সব রেস্ট হাউজে রাত কাটাতে রুম প্রতি ৫০০০ টাকা দিতে হয়।

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান

দুবলার চর: কটকার দক্ষিণ-পশ্চিমে দুবলার চর। অনেকে আবার এটাকে চিনে শুঁটকি পল্লী হিসেবেও। নানা প্রজাতির মাছ আর কাঁকড়া পাওয়া যায় এখানে। দুবলার চরে নামলেই দেখতে পারবেন খালি শুঁটকি আর শুঁটকি। দুবলার চর হিন্দুধর্মের পূণ্যস্নান, রাসমেলা, শুটকি ও হরিণের জন্য পরিচিত। কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে একটি বিচ্ছিন্ন চর। দুবলার চরের মোট আয়তন ৮১ বর্গমাইল। আলোরকোল, কোকিলমনি, হলদিখালি, কবরখালি, মাঝেরকিল্লা, অফিসকিল্লা, নারকেলবাড়িয়া, ছোট আমবাড়িয়া, মেহের আলির চর এবং শেলার চর নিয়ে দুবলার চর গঠিত। দুবলার চরে নেমে ১০ মিনিটের মতো হাঁটলে একটি বাজার পাবেন। অনেকে বলে এই বাজারের নাম নিউমার্কেট। সন্ধ্যার পরে চাইলে সেখান থেকে ঘুরেও আসতে পারেন। দুবলার চর সুন্দরবনের ৪৫ এবং ৮ নম্বর কম্পার্টমেন্টে অবস্থিত।দুবলার চরের জেলে পল্লীতে বনদস্যুদের উৎপাত, খাবার পানির অভাব, স্বাস্থ্য সেবা সংকট, বাঘ ও কুমিরের আক্রমণ, নিম্ন মজুরি ইত্যাদি প্রায় প্রতি মৌসুমের নৈমিত্তিক ঘটনা। এছাড়া বড়সড় ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছাসে বিপর্যস্থ হয় দুবলার চরের জেলে পল্লী। বনদস্যুদের উৎপাত ঠেকাতে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, র‌্যাব, পুলিশ ও বন বিভাগের প্রহরীরা থাকলেও সমন্বিত উদ্যোগের অভাব রয়েছে। প্রতি বছর কার্তিক মাসে রাসমেলা অনুষ্ঠিত হয়। বলা হয় ২০০ বছর ধরে এই রাসমেলা চলছে। জানা যায় , ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে হরিচাঁদ ঠাকুরের এক বনবাসী ভক্ত এই মেলা চালু করেন। পরবর্তীতে মেজর জিয়াউদ্দিন রাসমেলাকে আরো বেশী আকর্ষণীয় করে তোলার পদক্ষেপ নেন। তিনদিনব্যাপী এ মেলায় অনেক বিদেশী পর্যটকেরও সমাগম হয়। 

 

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান, সুন্দরবনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য যায়গা: কোথায় থাকবেন, কিভাবে যাবেন? 4

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান

হাড়বাড়িয়া: করমজল থেকে অল্প কয়েক কিলোমিটার দূরেই হাড়বাড়িয়ার অবস্থান। মংলা বন্দর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে এই কেন্দ্রে অবস্থান। একদিনের ভ্রমণে যারা সুন্দরবন দেখতে চান তাদের জন্য আদর্শ জায়গা হাড়বাড়িয়া। সুন্দরবনের হাড়বাড়িয়া টহল ফাঁড়ির পাশেই ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র। এর সামনের খালটি কুমিরের অভয়ারণ্য। প্রায়ই লোনা পানির কুমির দেখা যায় এই খালের চরে। হাড়বাড়িয়ায় সুন্দরনের বিরল মায়া হরিণেরও দেখা মেলে। এখানকার ছোট ছোট খালগুলোতে আছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছরাঙাসহ নানান জাতের পাখি। হাড়বাড়িয়া খালের পাড়ে ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রের সোনালি নামফলক। একটু সামনে এগুলেই বন কার্যালয়। এরপরে ছোট খালের উপরে ঝুলন্ত সেতু। সামনের দিকে জঙ্গলের গভীরতা ক্রমশ বেড়েছে। ঝুলন্ত সেতু পেরিয়ে সামান্য সামনে বিশাল এক পুকুর। পুকুরের মাঝে গোলপাতার ছাউনি সমেত একটি বিশ্রামাগার। ১৯৯৭-৯৮ সালে বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্মরণে খনন করা হয় এই পুকুর।হাড়বাড়িয়ার জায়গাটিতে বাঘের আনাগোনা বেশি। প্রায়ই বাঘের পায়ের তাজা ছাপ দেখা যায়। এছাড়া চিত্রা হরিণ ছাড়াও অন্যান্য বন্য প্রাণীও এখানে দেখা মিলবে। হারবাড়িয়া ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রে পর্যটকের জন্য প্রবেশ মূল্য: দেশি পর্যটক জনপ্রতি ৭০ টাকা, বিদেশি পর্যটক ১ হাজার টাকা। সঙ্গে ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য।

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান, সুন্দরবনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য যায়গা: কোথায় থাকবেন, কিভাবে যাবেন? 5

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান

বুড়ি গোয়ালিনী/ দোবেকি ফরেস্ট: শ্যামনগর উপজেলা হয়ে মুন্সিগঞ্জ বাস ষ্ট্যান্ড অথবা বুড়িগোয়ালিনির নীললডুমুর হতে ফরেষ্ট অফিস হতে পাস গ্রহন করে নৌকা অথবা ট্রলার যোগে সুন্দববনে গমন। বুড়ি গোয়ালিনী একটি গ্রামের নাম এর পাশ থেকে খোলপাটুয়া নদী। দোবেকি ফরেস্ট স্টেশন থেকে সুন্দরবন দেখা যাবে। এখানে নদীর ঘাটের নাম নীলডুমুর। নীলডুমুর ঘাট থেকে ট্রলারে যেতে হবে। কলাগাছিয়া নদীর তীরে কলাগাছিয়া ইকো টুরিজম গড়ে উঠে উঠেছে। দোবেকি ফরেস্ট স্টেশন থেকে সুন্দরবন দেখে শ্যামনগরে বেশ কয়েকটি হোটেল ও সরকারি ভাবে জেলাপরিষদের বাংলো রয়েছে।

রুপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র: সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ রোডের সখিপুর মোড়ে নেমে ডান দিকের রাস্তা দিয়ে সোজা দেবহাটা থানা মোড়ে নামতে হবে। এখান থেকে মোটর সাইকেল অথবা ইঞ্জিন ভ্যান যোগে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দূরে আপনি রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রে যেতে পারবেন।

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান

মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত: সাতক্ষীরা শ্যামনগর মুন্সিগঞ্জ সড়ক স্থান-মান্দারবাড়িয়া স্থান থেকে সমুদ্র দেখা যায়। বুড়িগোয়ালিনীর নীলডুমুরস্থ নৌঘাট থেকে। ইঞ্জিন চালিত নৌকা, স্টিমার বোটে করে শীত মৌসুমে (অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) সময়ে মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকতে যাওয়া যাবে। স্টিমার বা ইঞ্জিন চালিত নৌকা করে পৌঁছাতে সময় লাগবে ৬/৭ ঘণ্টা। স্পিড বোট যোগে বুড়িগোয়ালিনীর নীলডুমুর থেকে মান্দারবাড়িয়া পৌঁছাতে সময় লাগবে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা। প্রায় ৮ কিলোমিটার লম্বা মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত ছবির মত সুন্দর, অসম্ভব ভালোলাগার আচ্ছন্নতায় মুগ্ধ করে দিবে।

মাঝের চর: মাঝের চর ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন-ঘেঁষা বলেশ্বর নদের মধ্যবর্তী একটি চর। নদতীর থেকে কিংবা আকাশ থেকে দেখলে মনে হবে একেবারেই একটি ‘সবুজ দ্বীপ’। উপকূলীয় জেলা পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলা পার হয়ে বলেশ্বর নদ মাঝের চর দ্বারা দুই ভাগ হয়ে আবারও একই স্রোতোধারায় প্রবাহিত হয়েছে। প্রায় ৬৪০ একর জমির ওপর বলেশ্বর নদের বুকে গড়ে ওঠা মাঝের চর দৈর্ঘ্যে প্রায় ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থে ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার। আর সুন্দরবনের তটরেখা থেকে মাঝের চরের দূরত্ব প্রায় ৪ কিলোমিটার। বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের তাফালবাড়ী নামক স্থান থেকে নদীপথে মাঝের চরের দূরত্ব এক থেকে দেড় কিলোমিটার। মাঝের দেখে শরনখোলায় সরকারি বা বেসরকারি আবাসন কেন্দ্রে থাকা যাবে। বাগেরহাট থেকে শরনখোলা পর্যন্ত বাস চলাচলা করে। রায়েন্দা বাজারের লঞ্চ ঘাট থেকে মাঝের চরের জন্য ট্রলার ভাড়া পাওয়া যায়।

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্থান

বগী বন্দর রেঞ্জ অফিস: সুন্দরবন (বগী) শরণখোলা উপজেলার একটি দর্শনীয় স্থান,এখানে রয়েছে সুন্দারবনের একটি ফরেষ্ট অফিস। এখান থেকে সুন্দারবনের অনেক দৃশ্য অনুভাব করা য়ায়। শরণখোলা উপজেলা থেকে বগী যাওয়ার জন্য মটর সাইকেল যোগে অথবা বাসে উপজেলা থেকে তাফালবাড়ী বাজার পর্যন্ত তারপর তাফালবাড়ী বাজার থেকে মটর সাইকেল,ব্যান,রিক্সা,অটো রিক্সা যোগে বগী ফরেষ্ট অফিসে যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। রায়েন্দা বাজার থেকে টলার,লঞ্চ ইত্যাদি যোগে যাওয়ার আসার ব্যবস্থা রয়েছে।

bangladesh tourism tourism
Shuva

Mr. Shuva is a News and Content Writer at BongDunia. He has worked with various news agencies all over the world and currently, he is having an important role in our content writing team.

Related Posts

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মাণ্ডন যোজনা ২০২৬ - কৃষক হাতে পেনশন পাসবুক নিয়ে দাঁড়িয়ে

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনা ২০২৬: কৃষকদের জন্য মাসিক ৩,০০০ টাকা পেনশনের সম্পূর্ণ গাইড

মেষ রাশির রাশিফল ২০২৬ - Aries horoscope 2026 Bengali

মেষ রাশির রাশিফল ২০২৬: কেরিয়ার, প্রেম ও অর্থ – বিস্তারিত ভবিষ্যদ্বাণী

দৈনন্দিন জীবনে AI টুলস ব্যবহার - ফিচার্ড ইমেজ

দৈনন্দিন জীবনে AI টুলস: কাজ সহজ করার ৫টি অসাধারণ উপায়

Add A Comment
Leave A Reply Cancel Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Latest Posts
প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মাণ্ডন যোজনা ২০২৬ - কৃষক হাতে পেনশন পাসবুক নিয়ে দাঁড়িয়ে

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনা ২০২৬: কৃষকদের জন্য মাসিক ৩,০০০ টাকা পেনশনের সম্পূর্ণ গাইড

21st July 2026
সুনীল ছেত্রীর জীবনী: ভারতীয় ফুটবলের অমর কিংবদন্তি ও পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত 6

সুনীল ছেত্রীর জীবনী: ভারতীয় ফুটবলের অমর কিংবদন্তি ও পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত

21st July 2026
মেষ রাশির রাশিফল ২০২৬ - Aries horoscope 2026 Bengali

মেষ রাশির রাশিফল ২০২৬: কেরিয়ার, প্রেম ও অর্থ – বিস্তারিত ভবিষ্যদ্বাণী

21st July 2026
দৈনন্দিন জীবনে AI টুলস ব্যবহার - ফিচার্ড ইমেজ

দৈনন্দিন জীবনে AI টুলস: কাজ সহজ করার ৫টি অসাধারণ উপায়

21st July 2026
  • About Us
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Privacy Policy
© 2026 Bongdunia. Made by in Bharat.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.