নেপাল হিমবাহ বন্যা, কেন এত প্রাণহানি?
ছবিতে ধ্বংসের মাত্রা, জানুন আসল কারণ
বর্ষায় রসুয়া-ভোটেকোশি, একরাতে নেমে এল মাটি-বরফের দেয়াল। মুহূর্তে ভাসিয়ে নিল ঘর, সেতু, গাড়ি, মানুষ।
মৃত ছাড়াল ৯০০, নিখোঁজ ৪,২০০-এর বেশি। কাদার নিচে থেকে প্রতিদিন মিলছে মৃতদেহ। সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, সত্যি কথা।
ISRO-র স্যাটেলাইট ছবি বলছে, হিমবাহের বড় অংশই ছিঁড়ে পড়েছিল। নেমে এসে সব ভাসিয়ে নিল এক বিশাল স্রোতে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন গতি ছিল ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার। ঝড়ের মতো নামা জল কিছু পেতে দিল না আগে থেকে। সতর্কবার্তা এল না।
নেপালে ছিলেন বহু ভারতীয় পর্যটক, নিখোঁজদের মধ্যে ভারতীয় ২৮৮ জন। ভাঙা পথে পরিবারেরা খোঁজ নিচ্ছে প্রিয়জনদের।
রাস্তা খুঁড়ে, হেলিকপ্টার নিয়ে এগোচ্ছে উদ্ধার দল। কাদায় ডোবা মানুষজনকে বাঁচিয়ে তোলা হচ্ছে। পাশে নেমেছে ভারতও।
আবহাওয়ার খবর ছাড়া বর্ষায় পাহাড়ে যাবেন না। বন্যা-ধসের অ্যালার্ট মানুন, দেরি করবেন না। শেয়ার করুন পরিচিতদের সঙ্গেও।
এই বন্যা যেন এক শিক্ষা, প্রকৃতির সামনে মানুষ কত ছোট। সতর্কতাই রক্ষাকবচ। মৃতদের প্রার্থনা, বেঁচে থাকাদের পাশে দাঁড়ান।