দেমিস হাসাবিস, নোবেলজয়ী এআই বিজ্ঞানী

আলফাফোল্ড নামের এআই দিয়ে ভাঙলেন প্রোটিনের রহস্য

ছোটবেলায় দাবা খেলায় ছিল অসম্ভব ভালোবাসা। মাত্র তেরো বছর বয়সে চেস মাস্টার খেতাব জিতে ফেলেন লন্ডনের এই ছেলেটি।

বাল্যকাল, দাবার প্রতি টান

২০১০ সালে নিজের সংস্থা ডিপমাইন্ড গড়ে তোলেন। গুগল পরে সেটি কিনে নেয়। কৃত্রিম মেধার এমন চিন্তা তখন সবার কাছেই ছিল নতুন।

ডিপমাইন্ডের শুরু

প্রোটিন গঠন বোঝার প্রশ্নটি আটকে আছে প্রায় ৫০ বছর ধরে। হাজারো বিজ্ঞানী পথ খুঁজে পাননি, আলফাফোল্ড সেটিই সমাধান করল।

৫০ বছরের চ্যালেঞ্জ

অ্যামিনো অ্যাসিডের ধারা দেখে প্রোটিনের ত্রিমাত্রিক আকার আগেই বোঝাতে পারে, এমন একটি এআই মডেল ছিল আলফাফোল্ড।

এআই মডেল আলফাফোল্ড

এই সাফল্যের স্বীকৃতিতে ২০২৪ সালে রসায়নে নোবেল পেলেন। জন জাম্পার ছিলেন তাঁর সঙ্গে সমান তালে কাজ করা সহকর্মী।

রসায়নে নোবেল পুরস্কার

ক্যানসার, নতুন ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক সবখানে এর বড় ভূমিকা। ডেটাবেস খোলা থাকায় বিশ্বের বিজ্ঞানী সুবিধা পাচ্ছেন।

ওষুধ বিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত

গল্পটা শেখায়, গভীর কৌতূহল আর নিরলস পরিশ্রমেই অসম্ভব হয়ে ওঠে সম্ভব। এমন বিজ্ঞান কাহিনি আরও পেতে পড়ুন বংডুনিয়া।

বিস্তারিত পড়ুন bongdunia.com

কৌতূহল আর নিরলস প্রচেষ্টায় জটিল ধাঁধাও জেতে যায়। এমন গল্প আরও পেতে বংডুনিয়ার পাতায় নজর রাখুন। ফলো করুন।