বিগত কয়েকবছর যাবতই লক্ষ্য করা হচ্ছে যে, সন্ত্রাসবাদী দল’গুলি নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য বেছে নেয় বিভিন্ন সামাজিক গণমাধ্যমকে। একারণে গতবছর অর্থাৎ ২০১৮ সালের মার্চ মাসে এক নতুন প্রস্তাব তোলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। এই প্রস্তাবে বলা হয়েছে যে, এবার থেকে মার্কিন ভিসা’র আবেদন করার জন্য আবেদনকারীকে নিজের ফেসবুক এবং হোয়াটস্অ্যাপের যাবতীয় তথ্য জমা দিতে হবে।
গত বছর এই নতুন প্রস্তাবটি ওঠার পর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল যে এমন অদ্ভুত প্রস্তাব শোনার পর প্রায় ১ কোটি ৪৭ লক্ষ লোক চিন্তিত হয়ে পড়বে।
সম্প্রতি বি বি সি-র সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে যে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নতুন নিয়ম অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দাবি করার জন্যে সকল আবেদনকারীদের’কে এরপর থেকে তাদের ফেসবুক, হোয়াটস্অ্যাপ এর যাবতীয় তথ্য, ৫ বছর যাবৎ ব্যবহৃত হচ্ছে এমন ভিসা এবং ফোন নম্বর জমা দিতে হবে।
বর্তমানে সাইবার ক্রাইম নিয়ে সকলেই বেশ চিন্তিত। একারণে সাধারণত কোনও মানুষই তার ব্যক্তিগত তথ্য কারও হাতে তুলে দিতে চাননা হ্যাক হয়ে যাওয়ার ভয়ে। এরই মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন প্রকল্প সাধারণ মানুষকে অনেক বেশী দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।
তবে সংবাদ সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে যে যদি আবেদনকারীদের মধ্যে কেউ কোনপ্রকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার না করে থাকেন, তা উল্লেখ করার জায়গাও থাকবে আবেদনপত্রে।
This post was last modified on 3rd জুন 2019 3:05 অপরাহ্ন