বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ কক্সবাজারের টেকনাফে আজ ভোর বেলায় পুলিশের সাথে সরাসরি গুলি বিনিময় হয় কয়েকজন রোহিঙ্গা দুষ্কৃতী এবং পুলিশের মধ্যে । সরাসরি গুলিবিনিময়ের ফলে দুইজন রোহিঙ্গাসহ তিনজন সন্ত্রাসবাদী নিহত হয়েছে । পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে । ঘটনাটি ঘটেছে টেকনাফের বাহারছড়া পাহাড়ি এলাকায় । ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস বলেছেন, বন্দুকযুদ্ধে যারা নিহত হয়েছেন তারা বেআইনি অস্ত্র , মাদক এবং মার্ডার কেস সহ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামী ছিলেন । অনেক দিন ধরে পুলিশ তাদের খুঁজছে ।
টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস জানিয়েছেন, যে তিনজন সন্ত্রাসবাদী নিহত হয়েছেন তারা হলেন উখিয়া বালুখালীর সত্তর নম্বর রোহিঙ্গা বস্তির ফজল আহমেদের ছেলে মোহাম্মদ জামিল, ওই বস্তির নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ আসমাতুল্লাহ এবং টেকনাফের বাহারছড়া নতুনপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ রফিক । এই তিন জনের নাম পুলিশের খাতায় ছিল । অনেক দিন ধরেই পুলিশ তাদের খুঁজে বেড়াচ্ছে ।
টেকনাফ থানার পুলিশ সূত্র থেকে জানা গেছ্ বুধবার রাত্রে মাদক এবং চোরাচালানের জন্য তিন জন আসামীকে তারা গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে । তিনজন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর পুলিশ জানতে পারে কোথায় বেআইনি অস্ত্রপাতি এবং ডাকাতি করা মালপত্র রাখা আছে । সেই সূত্র ধরে পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোররাত্রে বাহারছড়া শামলাপুর এলাকায় পৌঁছায় । কিন্তু সেখানে আগে থেকে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসবাদি ওঁত পেতে অপেক্ষা করছিল । পুলিশকে দেখামাত্র তারা গুলি ছুড়তে শুরু করে ।পুলিশের পক্ষ থেকে পাল্টা গুলি করা হয় । এরপর সন্ত্রাসবাদীরা সেখান থেকে পালিয়ে যায় । পুলিশ পরে সেখানে গিয়ে তিনজন সন্ত্রাসবাদীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পায় এবং তাদের টেকনাফ উপজেলা হাসপাতাল ভর্তি করে । কিন্তু তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখানকার চিকিৎসকরা কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ট্রান্সফার করে । কক্সবাজার সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা গুলিবিদ্ধ 3 সন্ত্রাসবাদীকে মৃত হিসেবে ঘোষণা করে ।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তিনটি দেশীয় এলজি, 6 রাউন্ড তাজা গুলি এবং 8 রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করে । এই ঘটনায় নিহতদের দেখগুলি ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে ।
This post was last modified on 19th সেপ্টেম্বর 2019 7:34 অপরাহ্ন