একজন শিক্ষক কলেজে ক্লাস না করে বা কলেজে হাজির না হয়ে বেতন নিতে পারেন তার খোজ পাওয়া গেল বাংলাদেশের রাজশাহীর বরেন্দ্র কলেজে। এ কলেজের একজস সহকারী অধ্যাপক তসলিমা খাতুন তিনি প্রায় আট বছর ধরে কলেজে যান না। তারপরও নিয়মিত বেতন ভাতা উত্তোলন করছেন।
জানা যায় এ শিক্ষিকার স্বামী রাজশাহীর সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। তিনি একই সাথে দীর্ঘদিন ধরে এ কলেজ পরিচালনা কমিটিতে আছে। বাদশা বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক। বর্তমান মেয়াদ ধরে পর পর তিন মেয়াদের সংসদ সদস্য তিনি।
স্বামী সংসদ সদস্য হওয়ায় স্ত্রী এ সুযোগ নিচ্ছেন। কলেজের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এই শিক্ষকের এমন কাজে ক্ষুদ্ধ। কিন্তু কেউ মুখ খোলার সুযোগ পান না। একাধিক সূত্র থেকে জানা যায় এই শিক্ষিকা তার পরিবর্তে মিমি নামে একজনকে দিয়ে ক্লাস নেওয়ান। যে মিমি শিক্ষক তো দূরের কথা তার কলেজে চাকরী করার প্রাথমিক যোগ্যতা শিক্ষক নিবন্ধন তাও নেই। ক্লাস নেওয়ার পরিবর্তে তাসলিমা মিমিকে নাম মাত্র কিছু টাকা দেন।
নিয়মবহিভূত ভাবে এ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনেকে তদন্ত চাইলে কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না। এমনকি ছাত্রদের থেকে জানা যায়, আমরা ওই শিক্ষিকাকে নামেই চিনি। কিন্তু কখনো ক্লাসে পাইনি তাকে। গত কয়েক বছর তাকে কলেজে দেখিনি আমরা।
This post was last modified on 9th সেপ্টেম্বর 2019 1:02 অপরাহ্ন