সময়ের সাথে হাত মিলিয়ে

করোনার নতুন সংস্করণ জি-৬১৪ (G-614), রিপোর্ট জানাচ্ছে এর ক্ষমতা আরও অনেক বেশি

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ বিজ্ঞানীরা আগেই জানিয়েছিল কোভিড ১৯ তথা করোনা ভাইরাস নতুন রূপ নিতে পারে এবং নিচ্ছে । প্রথমে চিনে যে করোনা ভাইরাস দেখা গিয়েছিল পরবর্তীকালে সেই ভাইরাসের আরও বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য দেখা গেছে যা আগের থেকেও বেশি ক্ষতিকর । কিন্তু এবার করোনার যে নড়ুন রূপের কথা রিপোর্টে জানানো হয়েছে তার মারন ক্ষমতা নাকি আরও অনেক বেশি । নতুন রূপের নাম দেওয়া হয়েছে জি-৬১৪ (G-614) ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO এবং অন্যান্য বিজ্ঞানীরা আগেই সতর্ক করেছিলেন যত দিন যাবে ততই কোভিড ১৯ এর নতুন নতুন অভিযোজন ঘটবে । এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের অনেকগুলি বৈশিষ্ট্য যুক্ত হয়েছে । কিন্তু সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিবিসি জানাচ্ছে  সংক্রমণের নতুন শক্তি নিয়ে হাজির হয়েছে করোনাভাইরাস। চিন থেকে যে ভাইরাস ছড়িয়েছিল তার চেয়েও নতুন রূপে আরও শক্তিশালী এই জীবাণু। এটি চিহ্নিত হয়েছে G614 হিসেবে। আন্তর্জাতিক গবেষণা রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই তত্ত্ব।

বিবিসির রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, গত বছর নভেম্বরে চিনে যখন প্রথম করোনা সংক্রমণ শুরু হয় তখন  শুরুর দিকে কোভিড-১৯ ভাইরাস মানুষের শরীরে যতটা সংক্রমিত হতো, সম্প্রতি রূপান্তরের পর যে নতুন সংস্করণ  জি-৬১৪ হয়েছে তার সংক্রমিত করার ক্ষমতা অনেক বেশি । ফলে আসল ভাইরাসের চেয়ে মানুষকে কতটা বেশি অসুস্থ করবে নতুন সংস্করণ  জি-৬১৪ সেটা নিয়ে ফের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়া শুরু হয়েছে ।

ঠিক কি জানিয়েছে বিবিসি রিপোর্টে ! বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে সম্প্রতি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের কিছু গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে গবেষণা চালিয়েছে।মানুষ ও প্রাণীর কোষের উপরে পরীক্ষা চালিয়েছে তাঁরা। সেখানেই নতুন সংস্করণ  জি-৬১৪  এর অস্তিত্ব খুজে পাওয়া গেছে । বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন নতুন রূপান্তরিত  জি-৬১৪ ভাইরাসটি এখন আগের ভাইরাসের চেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে বিজ্ঞানীদের ধারনা করোনার পরিবর্তিত ভাইরাস জি-৬১৪ সংক্রমণের দিক থেকে আসল ভাইরাসের তুলনায় শক্তিশালী। তারা জানিয়েছেন  করোনাভাইরাসের পরিবর্তিত এই ধরনটি সবচেয়ে দ্রুত বিস্তার ঘটে নাক, সাইনাস ও গলায়। খুব সহজে আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এটিকে নির্মূল করতে মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতাকে আরও সক্রিয় হতে হবে।

মন্তব্য
Loading...