রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী ; রবি ঠাকুরের স্মরণে তাঁর কিছু কালজয়ী বাণী

0

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ সাহিত্য জগতে এমন কোন স্থান নেই, যেখানে প্রথম বাঙ্গালি হিসাবে নোবেল পুরষ্কারপ্রাপ্ত রবীন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল না । মুলত খুব ছোটবেলা থেকেই নিজের চারপাশের দৃশ্য দেখে নিজের মত করে বিচার করার ক্ষমতা ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের । এই কারনেই স্কুল কলেজের পুথিগত বিদ্যায় বুৎপত্তি খুব বেশী না থাকলেও আজও বাংলা আর বাঙ্গালীকে খুব বেশী করে চেনার দরকার পড়লে আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে চিনতে, জানতে হবে । তাঁর চিন্তা ভাবনার সাথে নিজেকে বিলীন করে দিতে হবে । ( রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী )

এই কারনেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অনায়াসে প্রশ্ন করতেই পারেন, ” মুখস্থ করিয়া পাস করাই তো চৌর্যবৃত্তি! যে ছেলে পরীক্ষাশালায় গোপনে বই লইয়া যায় তাকে খেদাইয়া দেওয়া হয়; আর যে ছেলে তার চেয়েও লুকাইয়া লয়, অর্থাৎ চাদরের মধ্যে না লইয়া মগজের মধ্যে লইয়া যায়, সেই-বা কম কী করিল?”  গোটা পৃথিবীতে মানুষ করোনার বিরুদ্ধে নিজেদের অস্তিত্বের সংগ্রাম করছে । মানব সভ্যতার ইতিহাসে বর্তমান পরিস্থিতির মত এত নির্মম অবস্থা খুব বেশী ঘটেনি । নিজের প্রিয়জনকে চোখের সামনে মারা যেতে দেখেও কিছুই করতে না পারার যন্ত্রণা সহ্য করা কতটা কঠিন, করোনা সংক্রমণ হাড়ে হাড়ে টের পাইয়ে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত । ২৫ শে বৈশাখ এবছরের রবীন্দ্র জয়ন্তীতে প্রতি বছরের মত উৎসব হয়ত হবে না কোন প্রকার জমায়েত কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হবার কারনে, তবুও একজন বাঙ্গালীর জীবনে ২৫ শে বৈশাখের দিনটিকে এড়িয়ে যাবার উপায় নেই ।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী

গোটা পৃথিবীব্যাপী লকডাউনের আবহে থেকেও ঘরে বসে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মরণে তাঁরই কিছু কালজয়ী বাণী ফের আর একবার স্মরণ করি । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী বাণী সম্ভার –

  • বিয়ে করলে মানুষকে মেনে নিতে হয়, তখন আর গড়ে নেবার ফাঁক পাওয়া যায় না 
  •  মানুষ পণ করে পণ ভাঙিয়া ফেলিয়া হাঁফ ছাড়িবার জন্য
  • যার সঙ্গে মানুষের লোভের সম্বন্ধ তার কাছ থেকে মানুষ প্রয়োজন উদ্ধার করে, কিন্তু কখনো তাকে সম্মান করে না
  • কাঁচা আমের রসটা অম্লরস— কাঁচা সমালোচনাও গালিগালাজ। অন্য ক্ষমতা যখন কম থাকে তখন খোঁচা দিবার ক্ষমতাটা খুব তীক্ষ্ণ হইয়া উঠে

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী

  • পরের অস্ত্র কাড়িয়া লইলে নিজের অস্ত্র নির্ভয়ে উচ্ছৃঙ্খল হইয়া উঠে– এইখানেই মানুষের পতন
  • মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ
  • আগুনকে যে ভয় পায়, সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না
  • বিনয় একটা অভাবাত্মক গুণ। আমার যে অহংকারের বিষয় আছে এইটে না মনে থাকাই বিনয়, আমাকে যে বিনয় প্রকাশ করিতে হইবে এইটে মনে থাকার নাম বিনয় নহে
  • আমার এই আমির মধ্যে যদি ব্যর্থতা থাকে তবে অন্য কোনো আমিত্ব লাভ করিয়া তাহা হইতে নিষ্কৃতি পাইব না
  • যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে
  • নিন্দা করতে গেলে বাইরে থেকে করা যায়, কিন্তু বিচার করতে গেলে ভিতরে প্রবেশ করতে হয়
  • অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার ধরিয়া রাখার মত বিড়ম্বনা আর হয় না
  • কত বড়ো আমি’ কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি
  • কেউ বা মরে কথা বলে, আবার কেউ বা মরে কথা না বলে

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী

  • অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে তবে ঘৃণা তারে যেস তৃণসম দহে
  • যে খ্যাতির সম্বল অল্প তার সমারোহ যতই বেশি হয়, ততই তার দেউলে হওয়া দ্রুত ঘটে
  • সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট
  • হঠাৎ একদিন পূর্ণিমার রাত্রে জীবনে যখন জোয়ার আসে, তখন যে একটা বৃহৎ প্রতিজ্ঞা করিয়া বসে জীবনের সুদীর্ঘ ভাটার সময় সে প্রতিজ্ঞা রক্ষা করিতে তাহার সমস্ত প্রাণে টান পড়ে
  • সংসারের কোন কাজেই যে হতভাগ্যের বুদ্ধি খেলে না, সে নিশ্চয়ই ভাল বই লিখিবে
  • যে ছেলে চাবামাত্রই পায়, চাবার পূর্বেই যার অভাব মোচন হতে থাকে; সে নিতান্ত দুর্ভাগা। ইচ্ছা দমন করতে না শিখে কেউ কোনকালে সুখী হতে পারেনা
  • সামনে একটা পাথর পড়লে যে লোক ঘুরে না গিয়ে সেটা ডিঙ্গিয়ে পথ সংক্ষেপ করতে চায় – বিলম্ব তারই অদৃষ্টে আছে
  • লোকে ভুলে যায় দাম্পত্যটা একটা আর্ট, প্রতিদিন ওকে নতুন করে সৃষ্টি করা চাই
  • উপার্জনে আমাদের সুযোগ কম বলেই আসক্তি সঞ্ছয়ে ভিতু আমরা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী

  • তর্কের বেলায় গৃহিণীর যুক্তিকে অকাট্য বলে কাজের বেলায় নিজের যুক্তিতে চলাই সৎ পরামর্শ
  • সংসারে সেরা লোকেরাই কুড়ে এবং বেকার লোকেরাই ধন্য। উভয়রে সম্মিলন হলেই মণি কাঞ্চন যোগ। এই কুঁড়ে বেকারে মিলনের জন্যইতো সন্ধ্যেবেলাটার সৃষ্টি হয়েছে।যোগীদরে জন্য সকালবেলা, রোগীেদের জন্য রাত্র্‌, কাজের লোকদের জন্য দশটা-চারটে
  • সময়ের সমুদ্রে আছি,কিন্তু একমুহূর্ত সময় নেই
  • অতিদূর পরপারে গাঢ় নীল রেখার মতো বিদেশের আভাস দেখা যায়– সেখান হইতে রাগ-দ্বেষের দ্বন্দ্বকোলাহল সমুদ্র পার হইয়া আসিতে পারে না

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী 

  • নিজের গুণহীনতার বিষয়ে অনভিজ্ঞ এমন নির্গুণ শতকরা নিরেনব্বই জন, কিন্তু নিজের গুণ একেবারে জানে না এমন গুণী কোথায়
  • পৃথিবীতে সকলের চেয়ে বড়ো জিনিস আমরা যাহা কিছু পাই তাহা বিনামূল্যেই পাইয়া থাকি , তাহার জন্য দরদস্তুর করিতে হয় না । মূল্য চুকাইতে হয় না বলিয়াই জিনিসটা যে কত বড়ো তাহা আমরা সম্পূর্ণ বুঝিতেই পারি না
  • নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাসওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাসনদীর ওপার বসি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে কহে, যাহা কিছু সুখ সকলি ওপারে
  • যাহারা নিজে বিশ্বাস নষ্ট করে না তাহারাই অন্যকে বিশ্বাস করে
  • বিবাহ না করিয়া ঠকা ভালো, বিবাহ করিয়া ঠকিলেই মুশকিল
  • তিক্ত বড়িকে মিষ্টি আকারে গেলানো রাজনীতির নৈপুণ্য
  • স্বামীরা প্রেমিক হতে অবশ্যই রাজি, তবে সেটা নিজের স্ত্রীর সাথে নয়। নিজের স্ত্রীর প্রেমিক হবার বিষয়টা কেন যেন তারা ভাবতেই চায় না
  • কী পাইনি তারই হিসাব মেলাতে মন মোর নহে রাজি
  • মনেরে আজ কহ যে, ভালো মন্দ যাহাই আসুক, সত্যেরে লও সহজে
  • তোমার পতাকা যারে দাও তারে বহিবারে দাও শকতি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী

  • নিজের গুণহীনতার বিষয়ে অনভিজ্ঞ এমন নির্গুণ শতকরা নিরেনব্বই জন, কিন্তু নিজের গুণ একেবারে জানে না এমন গুণী কোথায়
  • অক্ষমের লোভ আলাদিনের প্রদীপের গুজব শুনলেই লাফিয়া উঠে
  • অতীতকাল যত বড় কালই হোক নিজের সম্বন্ধে বর্তমান কালের একটা স্পর্ধা থাকা উচিত। মনে থাকা উচিত তার মধ্যে জয় করবার শক্তি আছে
  • কত বড়ো আমি’ কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি
  • অপর ব্যাক্তির কোলে পিঠে চড়িয়া অগ্রসর হওয়ার কোন মাহাত্ম্য নাই, কারণ চলিবার শক্তিলাভই যথার্থ লাভ, অগ্রসর হওয়া মাত্র লাভ নহে
  • নিজের অজ্ঞতা সম্বন্ধে অজ্ঞানতার মতো অজ্ঞান আর তো কিছু নাই
  • যৌবনই ভোগের কাল বার্ধক্য স্মৃতিচারণের
  • এ জগতে, হায়, সেই বেশি চায় আছে যার ভূরি ভূরি – রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি
  • আগুনকে যে ভয় পায়, সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না
  • পাশে দাঁড়িয়ে অথবা জলের দিকে তাকিয়ে আপনি কখনোই সমুদ্র অতিক্রম করতে পারবেন না
  • ছেঁড়া পাপড়ির মধ্যে আপনি ফুলের প্রকৃত সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন না
  • নিজের দুর্বলতার জন্যের অন্যের শক্তিকে হীন করো না
  • নিন্দা করতে গেলে বাইরে থেকে করা যায়, কিন্তু বিচার করতে গেলে ভেতরে প্রবেশ করতে হয়
  • চন্দ্রের যে কলঙ্ক সেটা কেবল মুখের উপরে, তার জ্যোৎস্নায় কোন দাগ পড়ে না
  • সত্যকে যখন অন্তরের মধ্যে মানি তখনই তাহা আনন্দ, বাহিরে যখন মানি তখনই তাহা দুঃখ। অন্তরে সত্যকে মানিবার শক্তি যখন না থাকে তখনই বাহিরে তাহার শাসন প্রবল হইয়া উঠে। সেজন্য যেন বাহিরকেই ধিক্কার দিয়া নিজেকে অপরাধ হইতে নিষ্কৃতি দিবার চেষ্টা না করি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী

  • প্রত্যেকের সাধ্যমতো যে ভালো সেই তাহার সর্বোত্তম ভালো, তাহার চেয়ে ভালো আর হইতে পারে না—অন্যের ভালোর প্রতি লোভ করা বৃথা
  • কলস যত বড়ই হউক না, সামান্য ফুটা হইলেই তাহার দ্বারা আর কোনো কাজ পাওয়া যায় না। তখন যাহা তোমাকে ভাসাইয়া রাখে তাহাই তোমাকে ডুবায়
  • হাল ছাড়ব না, কিন্তু কোন দিক বাগে হাল চালাতে হবে সেটা যদি না ভাবি ও বুদ্ধিসংগত তার একটা জবাব না দিই তবে, মুখে যতই আস্ফালন করি, ভাষান্তরে তাকেই বলে হাল ছেড়ে দেওয়া
  • যে মরিতে জানে সুখের অধিকার তাহারই। যে জয় করতে জানে ভোগ করা তাহাকেই সাজে
  • যে লোক পরের দুঃখকে কিছুই মনে করে না, তাহার সুখের জন্য ভগবান ঘরের মধ্যে এত স্নেহের আয়োজন কেন রাখিবেন
  • নরমাংসের স্বাদ পাইলে মানুষের সম্বন্ধে বাঘের যে দশা হয়, স্ত্রীর সম্বন্ধে তাহার ভাবটা সেইরূপ হইয়া উঠে
  • স্বামীরা প্রেমিক হতে অবশ্যই রাজি, তবে সেটা নিজের স্ত্রীর সাথে নয়। নিজের স্ত্রীর প্রেমিক হবার বিষয়টা কেন যেন তারা ভাবতেই চায় না
  • যে পুরুষ অসংশয়ে অকুন্ঠিতভাবে নিজেকে প্রচার করিতে পারে সেই সমর্থ পুরুষ সহজেই নারীর দৃষ্টি আর্কষণ করিতে পারে
  • বিধাতা আমাদের বুদ্ধি দেনটি কিন্তু স্ত্রী দিয়েছেন, আর তোমাদের বুদ্ধি দিয়েছেন; তেমনি সঙ্গে সঙ্গে নির্বোধ স্বামীগুলোকেও তোমাদের হাতে সমর্পণ করেছেন। – আমাদেরই জিত
  • পুরুষের বুদ্ধি খড়গের মতো; শান বেশি না দিলেও কেবল ভারেই অনেক কাজ করতে পারে। মেয়েদের বুদ্ধি কলম-কাটা ছুরির মতো; যতই ধার দাওনা কেনো, তাতে বৃহৎ কাজ চলে না
  • নারী দাসী বটে, কিন্তু সেই সঙ্গে নারী রাণীও বটে

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী  রবীন্দ্র জয়ন্তী

  • সাধারণত স্ত্রীজাতি কাঁচা আম, ঝাল লঙ্কা এবং কড়া স্বামীই ভালোবাসে। যে দুর্ভাগ্য পুরুষ নিজের স্ত্রীর ভালোবাসা হইতে বঞ্চিত সে – যে কুশ্রী অথবা নির্ধন তাহা নহে; সে নিতান্ত নিরীহ
  • যারে তুমি নীচে ফেল সে তোমারে বাঁধিবে যে নীচে, পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে
  • এরা সুখের লাগি চাহে প্রেম, প্রেম মেলে না, শুধু সুখ চলে যায়
  • পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দূরত্ব কোনটি জানো? নাহ, জীবন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত, উত্তরটা সঠিক নয়। সবচেয়ে বড় দূরত্ব হলো যখন আমি তোমার সামনে থাকি, কিন্তু তুমি জানো না যে আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি
  • আমি তোমাকে অসংখ্য ভাবে ভালবেসেছি, অসংখ্যবার ভালবেসেছি, এক জীবনের পর অন্য জীবনেও ভালবেসেছি, বছরের পর বছর, সর্বদা, সবসময়
  • সোহাগের সঙ্গে রাগ না মিশিলে ভালবাসার স্বাদ থাকেনা – তরকারীতে লঙ্কামরিচের মত
  • প্রহর শেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্রমাস
    তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ
  • আমি তোমারি বিরহে রহিব বিলীন, তোমাতে করিব বাস–
    দীর্ঘ দিবস, দীর্ঘ রজনী, দীর্ঘ বরষ-মাস।
    যদি আর-কারে ভালোবাস, যদি আর ফিরে নাহি আস,
    তবে তুমি যাহা চাও তাই যেন পাও, আমি যত দুখ পাই গো”।
  • সত্যকার আদর্শ লোক সংসারে পাওয়া দুঃসাধ্য। ভালবাসার একটি মহান্‌ গুণ এই যে, সে প্রত্যেককে নিদেন এক জনের নিকটেও আদর্শ করিয়া তুলে
  • প্রেমের মধ্যে ভয় না থাকলে রস নিবিড় হয় না
  • বেদনা থেকে যে আনন্দের উৎপত্তি, সে আনন্দের তুলনা নেই
  • নির্দয় হবে না, কিন্তু কর্তব্যের বেলায় নির্মম হতে হবে
  • কী পাইনি তারই হিসাব মেলাতে মন মোর নহে রাজি
  • মনে যখন একটা প্রবল আনন্দ একটা বৃহৎ প্রেমের সঞ্চার হয় তখন মানুষ মনে করে, ‘আমি সব পারি’। তখন হঠাৎ আত্মবিসর্জনের ইচ্ছা বলবতী হইয়া ওঠে
  • ভালোবাসা কথাটা বিবাহ কথার চেয়ে আরো বেশি জ্যান্ত
  • ক্ষমাই যদি করতে না পারো, তবে তাকে ভালোবাসো কেন
  • আনন্দকে ভাগ করলে দুটি জিনিস পাওয়া যায়; একটি হচ্ছে জ্ঞান এবং অপরটি হচ্ছে প্রেম
  • প্রেমের আনন্দ থাকে স্বল্পক্ষণ, কিন্তু বেদনা থাকে সারা জীবন
  • সাত কোটি বাঙালিরে হে মুগ্ধ জননী রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করনি
  • পৃথিবীর উপকার করার ইচ্ছা থাকলেও কৃতকার্য হওয়া যায় না, কিন্তু তার বদলে যেটা করতে পারি সেইটে করে ফেললে অনেক সময় আপনি পৃথিবীর উপকার হয়, নিদেন একটা কাজ সম্পন্ন হয়ে যায়
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
মন্তব্য
Loading...