অনেক দিন ধরেই আবহাওয়াবিদ সহ সারা দেশ এমনকি প্রধানমন্ত্রীর ও মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে এই ঘূর্ণিঝড় “ফণী”।এমন দাবদাহ গরমে যেখানে এই ঝড়কে মনে করা হয়েছিল একপ্রস্থ স্বস্তির হাওয়া কিন্তু বর্তমানে এটাই হয়ে দাড়িয়েছে এই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ।
যে ঝড়টি প্রথমে ভারতমহাসাগরে জন্ম নিয়েছিল নিম্নচাপ রূপে, পরে তা শক্তি বাড়িয়ে পরিণত হয়েছে দুর্দান্ত এক ঘূর্ণিঝড়ে।মৌসম ভবন থেকে জানা যায়, এই ঘূর্ণিঝড় ফণী আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও ক্ষমতা বাড়িয়ে ধেয়ে আসছে অন্ধ্র থেকে ওড়িশা উপকূলের দিকে। যদিয় এর অভিমুখ অন্ধ্রপ্রদেশ-তামিলনাড়ু উপকূল। মৎস্যজীবীদের ওপর নিষেধআজ্ঞা জারী হয়েছে।
মৌসম ভবন জানায় আগামী ২ রা মে ফণী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে, এবং তার লাগোয়া সাগরে বাতাসের সর্বচ্চো গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১৯৫ কিলোমিটার। জলতলের তাপমাত্রা ৩০-৩২ ডিগ্রী সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আদতে প্রয়োজন ২৫.৫ ডিগ্রী, ফলে দফায় দফায় শক্তি বাড়বে। চিল্কার কাছে ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোরো বাতাস বওয়ার সম্ভবনা। যদিও এটাও আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন যে ঝড় এখনও চেন্নাই থেকে ৮১০ কিলোমিটার দূরে, ফলে সামনে অনেকটা পথ অতিক্রম করে আস্তে তার শক্তি অনেকটা কমবে , সেটাই যা স্বস্তির আশ্বাস।
This post was last modified on 30th এপ্রিল 2019 12:16 অপরাহ্ন