বিষ্যুদবার ওই ঘটনাকে ‘মেলোড্রামা’ বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। হুঁশিয়ারির সুরে বললেন, “আপনার এই সাজানো চিত্রনাট্যের মেলোড্রামা, আপনার মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার বাঁচাতে পারবে না।”
টুইট করে একদা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড লেখেন, “বাংলায় গণতন্ত্র ভূলুন্ঠিত। আপনার দলের গুন্ডাদের হাতে ১০০-র বেশি বিরোধী রাজনৈতিক কর্মী খুন হয়েছে।” পর্যবেক্ষকদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যত বেশি করে ‘আমি তোমাদেরই লোক’ ভাবমূর্তির পুনর্গঠন করতে চাইছেন, মুকুলবাবুরা তত বেশি করে বোঝাতে চাইছেন, ওটা আসলে মুখোশ। আসল চেহারাটা ‘বিরোধীদের রক্তে হাত লাল’।
মুকুল রায়ের এই টুইট করার পর রাজনৈতিক মহলে জোর কানাঘুষা চলছে । কেউ কেউ বলছে মমতা ব্যানার্জি কেমন মনের মানুষ সেটা সব থেকে ভালো বুঝতে পারবে একদা সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মুকুল রায় । কারণ সবথেকে কাছাকাছি এক সময় মুকুল রায় ছিলেন মমতা ব্যানার্জির । সুতরাং তার কাজকর্ম, তার মনোভাব অন্যদের থেকে মুকুল রায় সবচেয়ে বেশি জানতে পারবেন । আবার অনেকের মতে, নেত্রী আসলে বোঝাতে চাইছেন, প্রশাসক হিসেবে তিনি যতটা কড়া, তার বাইরে ততটাই সাধারণ। আর সেই ব্র্যান্ডকেই ধাক্কা দিতে চাইলেন মুকুল রায়।
তবে সকলের প্রিয় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির এই সাধারন মানুষের সাথে মিশে যাওয়া তাদের সাথে গল্প করা তাদের কাজে নিজে হাত লাগানো সবকিছুই দলের নেতাকর্মীদের বাড়তি অক্সিজেন যোগাবে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই