বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্ক:টান টান উত্তেজনা। যেন শেষ মুহুর্তে স্বপ্ন ভেঙ্গে না যায়। ইজরায়েলের দুর্ঘটনানশন তাই কম নয়।
গত ২২ জুলাই চন্দ্রযান-২ এর উৎক্ষেপন হয়। ইসোরার বিজ্ঞানীরা সেদিন থেকে ১৬ ঘন্টা কাজ করছে। তাদের একটিই স্বপ্ন মিশন সাকসেল ফুল করা। এই চন্দ্রযানটি চাদেঁর দক্ষিন মেরুতে নামবে যা ভারতই প্রথম করতে যাচ্ মনে পড়ছে চাদেঁর পিঠে নামবে মহাকাশযান সব প্রস্তুত তখনই ইঞ্জিন বিগড়ে গেল মুখ থুবড়ে পড়ল চাদেঁর বুকে। হাজার হাজার স্বপ্ন তীরে এসে ঢুবে গেল। চন্দ্রযান-২ নিয়ে শেষবেলায় ভারতীয়দের কাছে তেমনই একটা টেনশনের সময় ।
চাদেঁর এই মেরু অভিযান সহজ কাজ ছিল না । চাদেঁর এ অভিযান নিয়ে বেঙ্গলুরুর রমন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক গবেষক বিমান নাথ বলেন, ‘‘একজন জ্যোতির্বিদ হিসেবে আমি বলতে পারি, চাঁদে যাওয়ার তোড়জোড় খুব একটা সহজ কাজ নয়। ইসরোতে আমার অনেক সহকর্মী, বন্ধুরা জানিয়েছেন, একটা মহাকাশযান তৈরি করতেই যে খরচ হয় সেটা আকাশছোঁয়া। তার উপর মহাকাশে সেই রকেট পাঠিয়ে কন্ট্রোল করাটাও ঝক্কির ব্যাপার,’’ ।
ভারতই প্রথম দেশ, যার যান চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নামছে। ভারতই চতুর্থ দেশ যার মহাকাশযান চাঁদের মাটি স্পর্শ করবে। এমন গৌরবের দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঠিক করেছেন আর ঘরে বসে না থেকে বেঙ্গালুরুতে ইসরোর হেডকোয়ার্টারে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ কাটাবেন । বিজ্ঞানীদের সাথে বসে সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে লাইভ দেখবেন চন্দ্রযান-২এর সাফল্য। তবে নরেন্দ্র মোদী একা নন, তাঁর সাথে থাকবে মাস খানেক আগে হওয়া ইসরোর অনলাইন ক্যুইজে সফল ৬০টি স্কুলের পড়ুয়ারাও ।
গোটা দেশ অধীর অপেক্ষায় সেই পরম মুহূর্তের জন্য। সব ঠিক থাকলে আজ, শুক্রবার রাত ১টা থেকে অবতরণ শুরু হবে চন্দ্রযানের। দেড়টা থেকে আড়াইটের মধ্যে ‘টাচ ডাউন’ আর শনিবার সকাল ৬টা নাগাদ ল্যান্ডার বিক্রমের ভিতর থেকে বেরোনোর কথা রোভার প্রজ্ঞানের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বাদ নন। তিনি টুইট করে জানিয়েছেন, ‘এক্সট্রিমলি এক্সাইটেড’ । নরেন্দ্র মোদী টুইটারে লিখেছেন, “ভারতীয় মহাকাশ গবেষণার চূড়ান্ত ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে বেঙ্গালুরুর ইসরো সেন্টারে থাকা নিয়ে উৎসুক হয়ে আছি। দেশের অনেক ইয়ংস্টারও ওই মুহূর্ত দেখার জন্য উপস্থিত থাকবে। সেখানে ভূটানের যুবকরাও থাকবেন।”
বরাবর দেখা গেছে প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সব বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী । তিনি দেশের জনগণের কাছে এক অভিনব বার্তাও দিয়েছেন মোদী। তাঁর পেজে লিখেছেন, সকলে দেখুক এই মুহূর্ত। শুধু দেখাই নয়, সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেও বলেছেন। পাশা পাশি সেই ছবির থেকে কিছু তিনি নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে রি-টুইট করবেন – একথা জানাতে ভোলেননি ।
This post was last modified on 6th সেপ্টেম্বর 2019 5:23 অপরাহ্ন