লকডাউন করেও ঠেকানো যাচ্ছে না মসজিদে জমায়েত, এবার বেনিয়ম মুর্শিদাবাদে

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ দিল্লীর নিজাম কাণ্ডেও শিক্ষা হয়নি সে কথা বারবার প্রমাণিত হচ্ছে । এখনও কিছু মানুষ লকডাউনের গুরুত্ব বুঝছে না অথবা বুঝেও উপেক্ষা করে চলেছে । আজ জুম্মাবারে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা গেল রাজ্যের মুর্শিদাবাদে । কোন রকম সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করা তো দূরের কথা, মুখে সামান্য মাস্ক পর্যন্ত ব্যবহার করতে দেখা গেল না মসজিদে জমায়েত কয়েক হাজার নামাজ আদায়কারীর মধ্যে ।

দিল্লীর নিজামউদ্দিন কাণ্ডে সমূহ বিপদের মুখে গোটা দেশ । গোটা দেশে প্রায় ১৭ টি রাজ্যে নির্বিচারে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দিল্লীতে সম্মেলনে যোগদানকারী জামাত সদস্যদের মাধ্যমে । অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এই ঘটনা হয়ত আগামিতে করোনা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রনের বাইরে নিয়ে যাবে । অথচ মধ্যপ্রদেশের চিন্দওয়ারার চৌরাইতেও একই ঘটনা ঘটতে দেখা গিয়েছে । চৌরাই পুলিশের ইন-চার্জ জানিয়েছেন, “৪০ জনকে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে মসজিদের ভেতর নমাজ পড়তে দেখা গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে মহামারী আইনে মামলা হয়েছে”। এবার একই ঘটনা ঘটল রাজ্যে ।

ঘটনাটি ঘটেছে  মুর্শিদাবাদের বড়ঞাঁয়। লকডাউনের বিধিনিষেধের কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে শুক্রবার বড়ঞা থানা এলাকার গোপীপুর মসজিদে হাজার লোকের জমায়েত হয় বলে খবর । এই জমায়েতকারীদের সামাজির দূরত্ব মানা তো দূরের কথা, কারও মুখে মাস্ক পর্যন্ত ছিল না। ঘটনার খবর পেয়েই কান্দির এসডিপিও কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছয়। জমায়েতকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়।

যদিও লকডাউনের কারনে রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক গোটা দেশে কোন প্রকার জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে । কিন্তু কিভাবে পুলিশের চোখ এড়িয়ে এই জমায়েত সম্ভব হল তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে । যদিও  মসজিদের ইমামকে ডেকে আগামী দিনে এই ধরনের জমায়েত করলে কঠোর শাস্তি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ এবং চাপে পড়ে গ্রামবাসীদের সামনে ইমাম ঘোষণা করেছেন, করোনা পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকতে এবং লকডাউন চলাকালীন বাড়িতে বসে নমাজ পড়ার । কিন্তু প্রশাসন আরও কড়া না হলে এভাবে শুধু মাত্র হুশিয়ারি দিয়ে এই ধরনের জমায়েত বন্ধ করা যাবে কি না সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ।

আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
মন্তব্য
Loading...