২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের রায় অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৯ মার্চ রাত ১১টায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ ত্যাগের কথা ছিল যুক্তরাজ্যের। পরবর্তীকালে ইইউ’র সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্কের শর্ত নির্দিষ্ট করে তৈরি হয় ব্রেক্সিট চুক্তি। এ চুক্তি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাস করানোর বাধ্যবাধকতা থাকলেও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তিন দফায় তা হাউস অব কমন্সে পাস করাতে ব্যর্থ হন।
এই ব্যর্থতার কারণেই পদত্যাগ করতে চলেছেন তিনি। আগামী ৭ই জুন তিনি পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছেন। ব্রেক্সিট চুক্তি পাস করানোর আগেই পদত্যাগ করতে হবে তাকে। এজন্য তিনি খুবই অসন্তুষ্ট। তবে তিনি বলেছেন যে, তিনি যে কাজ অসম্পূর্ণ রেখে যাচ্ছেন তার উত্তরসূরি নিশ্চয়ই সেই কাজটি সম্পূর্ণ করবেন। তিনি এও বলেছেন যে, দেশের দ্বিতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেও শেষ মহিলা প্রধানমন্ত্রী হতে চাননা তিনি।
তবে তৃতীয় দফায় চুক্তিটি পার্লামেন্টে তোলার আগে ইইউ নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ব্রেক্সিট বিলম্বিত করতে সমর্থ হন থেরেসা মে। ব্রেক্সিট ইস্যুতে নিজ দলের পার্লামেন্ট সদস্যদের পাশাপাশি বিরোধী দলের সদস্যদের রাজি করানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখলেও শেষ পর্যন্ত সফলতা পাননি তিনি।
This post was last modified on 27th মে 2019 10:57 পূর্বাহ্ন