রুপালি পর্দা আমাদের সমাজে একটা আলাদা জায়গা তৈরি করে নিয়েছে । মনের বাস্তবিক চিন্তা ভাবনা এবং কল্পনা মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় রুপালি পর্দায় । রুপালি পর্দার নায়ক নায়িকারা তাই হয়ে যায় আমাদের অতি কাছের, অতি আপনজন ।পুরানো দিনের বাংলা সিনেমা (Old Bengali Movies) আমাদের মনে এক নতুন চিন্তা ভাবনা করার অবকাশ দেয় । ভারতীয় চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগে সূচনা হয়েছিল বলতে গেলে বাংলা চলচ্চিত্রের হাত ধরে । এই কারণে ভারতীয় চলচ্চিত্র-র ইতিহাসে বাংলা পুরনো দিনের সিনেমাগুলোর (Old Bengali Movies) অবদান অপরিসীম এবং এটা অস্বীকার করার কোন জায়গাই নেই । ভারতীয় সিনেমার আধুনিক রূপকার বলা হয় প্রমথ বড়ুয়াকে । এছাড়া তালিকায় রয়েছে প্রমথেশ বড়ুয়া, বিমল কর, ঋত্বিক ঘটক, অরবিন্দ মুখার্জি, সত্যজিৎ রায় প্রভৃতি । বাংলা চলচ্চিত্র জগতে নয়, ভারতের গন্ডী ছাড়িয়েও এদের অবদান ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে । সারা বিশ্বে বাংলা চলচ্চিত্রের একটা আলাদা জায়গা করে নিতে পেরেছে স্বর্ণযুগের এই সমস্ত অমর চিত্র পরিচালকদের হাত ধরে । বাংলা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি মহানায়ক উত্তম কুমারকে । আমরা পেয়েছি মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে । র বাংলা পুরনো দিনের সিনেমা থেকে আমরা সেই আমলের সমাজব্যবস্থা, রাজনীতিক ব্যবস্থা, পারিপার্শ্বিক মানুষের জীবনযাত্রা পদ্ধতি প্রণালী সবকিছুই জানতে পারি । এই সমস্ত মহাপরিচালক বাংলা সিনেমায় ফুটিয়ে তুলেছেন বিভিন্ন অবিস্মরণীয় লেখক এর কাহিনীগুলি । বাংলা পুরনো দিনের সিনেমাতে (Old Bengali Movies) তৎকালীন বাংলা ছবির সংগীত, বাদ্যযন্ত্র, সেই সাথে পার্শ্বচরিত্র সবকিছুই নিজের জায়গায় আলাদা আলাদা করে জায়গা করে নিয়েছে । আজ তাই সারা পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে হোক না কেন, যে কোন বাংলা পুরনো দিনের চলচ্চিত্র প্রেমীরা অকুণ্ঠ ভরে প্রশংসায় ভরিয়ে দেবে এই সমস্ত চির স্মরণীয় কাজ গুলিকে । বাংলা পুরনো দিনের চলচ্চিত্রের সেই সমস্ত অবিস্মরণীয় সিনেমাগুলির কিছু তালিকা নিচে দেওয়া হল ।
১৯৯৪ সালে মহান পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ এই ছবিটি তৈরি করেন । পুরনো দিনের এই বাংলা সিনেমায় অভিনয় করেন অর্পনা সেন, দেবশ্রী রায়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, দীপঙ্কর দে প্রভৃতি । এই ছবিতে কোন প্রকার নাচ গান বা আউটডোর শুটিং না রেখেই অভিনেতাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ (rituparno ghosh movies)। বাংলা ছবির নবজাগরণ হয়েছিল “19 এপ্রিল” ছবির হাত ধরেই এ কথা স্বীকার করে নেওয়া যেতে পারে । ছবিটি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিল ।
বাংলা পুরনো দিনের চলচ্চিত্রে সত্যজিৎ রায়ের অবদান অনস্বীকার্য । সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় “পথের পাঁচালী” চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় 1955 সালে । বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয় এই চলচ্চিত্রটি । কথিত আছে একসময় টাকার অভাবে এই ছবিটির কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং দীর্ঘ তিন বছর পর ছবিটির কাজ শুরু হয় । কিংবদন্তি সেতার বাদক রবি শংকর চলচ্চিত্রের সঙ্গীত তৈরি করেছিলেন । ছবিটি অস্কার পুরস্কার প্রাপ্ত ছবি ।
১৯৬৪ সালে সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় মুক্তি পায় চারুলতা ছবিটি । ১৯৬৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রটি ইংরেজিভাষী বিশ্বে The Lonely Wife নামে পরিচিত। সার্থক চিত্রায়নের খাতিরে এতে গল্পের কাহিনী খানিকটা পরিবর্তন করা হয়েছে।ছবিটিতে অভিনয় করেছেন মাধবী মুখোপাধ্যায় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় শৈলেন মুখোপাধ্যায় শ্যামল ঘোষ এর মত বিখ্যাত সব অভিনেতা অভিনেত্রীরা ।
১৯৭০ সালে তপন সিনহার পরিচালনায় মুক্তি পায় সাগিনা মাহাতো। গত শতকের সত্তর দশকে গৌরকিশোর ঘোষের কাহিনি ‘সাগিনা মাহাতো’ খুবই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল তপন সিংহের চলচ্চিত্রে এবং বাদল সরকারের প্রথম অঙ্গনমঞ্চ প্রযোজনায়। একই কাহিনির বাদল সরকারকৃত নাট্যরূপ নিয়ে আলাপের নতুন নাটক (পরিচালনা: পার্থপ্রতিম দেব) চমত্কার নাটকীয় অভিঘাতে এক ঝকঝকে প্রযোজনা। যদিও ১৯৪২-এর একটি সত্য ঘটনা নিয়ে লেখা, মূল গল্পে যে বামপন্থী রাজনীতির কড়া সমালোচনা ছিল, তা কিছুটা নিস্তেজ। তার ফলে নাটকের আবেদন বেড়েছে বই কমেনি। পরিচ্ছন্ন পরিচালনার গুণে, স্বল্প আয়োজনের মঞ্চসজ্জায়, কাহিনির অনাড়ম্বর অথচ জোরালো নাটকীয় উপস্থাপনায় এই প্রযোজনা ‘সাগিনা মাহাতো’র মঞ্চ ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য সংযোজন।
সুনীলের রচনায় সত্যজিতের নির্মাণ, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ (Pratidwandi) দুই ক্ষণজন্মা মানুষকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে একসারিতে। পূর্বের আলোচনায় আমরা উপন্যাস এবং চলচ্চিত্রের অভিযোজন, তুলনামূলক নানান বিষয় তুলে ধরেছি। এবারে একটু ভিন্নভাবে কিছু বিষয় আলোকপাত করছি।
সত্যজিৎ রায়ের নির্মাণ কুশলতা কিংবা চিত্রায়ণ ও সৃষ্টিশীলতা নিয়ে কোন সংকোচ কিংবা দ্বিধার অবকাশ নেই। অপরদিকে সুনীলের গ্রহণযোগ্যতা কিংবা সৃজণশীলতা অবশ্যই নমস্য। সত্যজিৎ যখন সুনীলের উপন্যাসে চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন, তখন একধরণের দ্বৈরথের আভাস পাওয়া যায়। সত্যজিৎ জীবনকে সবসময় ব্যক্তি মানুষের আঙিনা থেকে দেখেছেন। কলকাতা ট্রিলজির একটি চলচ্চিত্র এই ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ (Pratidwandi) । যখন এই চলচ্চিত্র মুক্তি পায়, তখন সত্তরের দশক। ভারতবর্ষসহ সারা পৃথিবীতে একধরণের পালাবদল কিংবা অস্থিরতা চলছে। রাজনৈতিক মঞ্চে সাম্রাজ্যবাদের অস্তায়মান সূর্যের পাশ ঘেষে জাতীয়তাবাদের নতুন আবাহনী শোনা যাচ্ছিলো।
১৯৭০ সালে মুক্তি পায় সত্যজিৎ রায় পরিচালিত প্রতিদ্বন্দ্বী (Pratidwandi) চলচ্চিত্র। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি এই চলচ্চিত্রে মূখ্য ভুমিকায় অভিনয় করেছেন ধৃতিমান চট্রোপ্যাধায়। এই ছবিটির অভিনয়ে ছিলেন ধৃতিমান চট্রোপ্যাধায়, কৃষ্ণা বসু, ইন্দিরা দেবী, কল্যান চৌধুরী, জয়শ্রী রায়, দেবরাজ রায়, শেফালী প্রমুখরা। এই ছবিটির জন্য সত্যজিৎ রায় জাতীয় পুরস্কার পান ।
ঘরে বাইরে ( Ghore and Baire ) (১৯১৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি উপন্যাস। এটি চলিত ভাষায় লেখা রবীন্দ্রনাথের প্রথম উপন্যাস। উপন্যাসটি সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে। স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত এই উপন্যাসে একদিকে আছে জাতিপ্রেম ও সংকীর্ণ স্বাদেশিকতার সমালোচনা, অন্যদিকে আছে সমাজ ও প্রথা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নারী পুরুষের সম্পর্ক; বিশেষত পরস্পরের আকর্ষণ-বিকর্ষণের বিশ্লেষণ। ঘরে বাইরে বাঙালি চিত্রপরিচালক সত্যজিৎ রায় পরিচালিত একটি চলচ্চিত্র। এই ছবিতে অভিনয় করেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়, জেনিফার কাপুর ও স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। সত্যজিৎ রায় ১৯৪০-এর দশকে তাঁর প্রথম ছবি পথের পাঁচালী নির্মাণেরও আগে এই ছবির চিত্রনাট্য রচনা করেছিলেন। এই ছবির বিষয়বস্তু নারীমুক্তি, যা সত্যজিতের বহু ছবিতে বহু ভাবে উঠে এসেছে। ছবিটি ১৯৮৪ কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাম ডি’অর-এর জন্য প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে দেখানো হয়।
চিত্র পরিচালক অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় নিশিপদ্ম ( NishiPadma ) ছবিটি পরিচালনা করেন । ছবিটি মুক্তি পায় 1970 সালে ।এই বাংলা পুরনো সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন মহানায়ক উত্তম কুমার এবং সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় । বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা হিং এর কচুরি গ্রন্থ অবলম্বনে তৈরি করা হয়েছে এই নিশিপদ্ম ছবিটি । ছবিটিতে প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে ছিলেন মান্না দে ও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় । এই ছবিটি পরবর্তীকালে 1972 সালে হিন্দিতে পুনঃ নির্মাণ করা হয় । সেখানে অভিনয় করেন শর্মিলা ঠাকুর ও রাজেশ খান্না । এই ছবিটি ও পুরস্কার প্রাপ্ত ছবি ।
১৯৫৫ সালে অগ্রদূত গোষ্ঠীর পরিচালনায় মুক্তি পায় এই সবার উপরে সিনেমাটি । এই সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন সর্বকালের সেরা জুটি উত্তম কুমার এবং সুচিত্রা সেন । সাথে ছিলেন ছবি বিশ্বাসের মতো মহান অভিনেতা । সবার উপরে চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেছেন রবীন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং গীত রচনা করেছেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ।
নায়ক ছবির পরিচালনা করেছেন বিখ্যাত পরিচালক সত্যজিৎ রায় । ১৯৬৬ সালে মুক্তি পায় এই ছবি । এই ছবিতে অভিনয় করেছেন উত্তম কুমার, শর্মিলা ঠাকুর, সৌমেন ঘোষ, বিবেক সেন ।
জলসাঘর ছবিটি পরিচালনা করেন সত্যজিৎ রায়। ছবিটি প্রকাশ পায় হাজার ১৯৫৮ সালে । ছবিতে অভিনয় করেছেন ছবি বিশ্বাস , সরদার আখতার, গঙ্গাপদ বসু, বিসমিল্লা খান ।
মেঘে ঢাকা তারা ভারতীয় বাংলা পুরনো দিনের সিনেমার একটি মাইলফলক । ছবিটি পরিচালনা করেছেন বিখ্যাত পরিচালক ঋত্বিক ঘটক । ১৯৬০ সালে এই ছবিটি মুক্তি পায় । ছবিটিতে অভিনয় করেছেন সুপ্রিয়া চৌধুরী, অনিল চ্যাটার্জী, বিজন ভট্টাচার্য, জ্ঞানেশ মুখার্জি ।
এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সত্যজিৎ রায় । অভিনয় করেছেন অনিল চ্যাটার্জী, মাধবী মুখার্জি, জয়া ভাদুড়ি, হরেন চ্যাটার্জী । ঘর পরিবর্তন করার পর একটা মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির গৃহবধূর জীবনের উপর ভিত্তি করে সিনেমাটি করা । ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৬৩ সালে ।
সুবর্ণরেখা চলচ্চিত্র টি বাংলা সিনেমা জগতের একটি মাইলফলক । ছবিটিতে অভিনয় করেছে মাধবী মুখার্জি । বিজন ভট্টাচারিয়া ইন্দ্রানী চক্রবর্তী । ছবিটি পরিচালনা করেছেন বিখ্যাত পরিচালক ঋত্বিক ঘটক ।
সপ্তপদী সিনেমাটি নির্মিত হয়েছিল 1967 সালে । ছবিটি পরিচালনা করেছেন অজয় কর । সপ্তপদী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন মহানায়িকা সুচিত্রা সেন, মহানায়ক উত্তম কুমার, পঞ্চানন ভট্টাচারিয়া
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে তিন কন্যা চলচ্চিত্রটি । চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন অনিল , চন্দনা ব্যানার্জি, অপর্ণা সেন, সীতা মুখার্জি । ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন সত্যজিৎ রায় । সিনেমাটি নির্মিত হয়েছিল ১৯৬১সালে ।
আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশে । এই বিখ্যাত চলচ্চিত্রের পরিচালক হলেন সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ । ছবিটিতে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আসাদুজ্জামান নূর, আবুল হায়াত, ডলি জহুর । ছবিটি নির্মিত হয় ১৯৯৪ সালে ।
সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মিত । অপরাজিত সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সত্যজিৎ রায় । এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন পিনাকী সেন গুপ্ত, সমিরন ঘোষাল, কমলা অধিকারী, লালচাঁদ ব্যানার্জি । ছবিটি নির্মিত হয় ১৯৫৬ সালে ।
অপুর সংসার ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৫৯ সালে । ছবিটি পরিচালনা করেছেন সত্যজিৎ রায় । অভিনয় করেছেন সৌমিত্র চ্যাটার্জি, শর্মিলা ঠাকুর, অলক চক্রবর্তী, স্বপন মুখার্জি ।
ছিন্নমূল ছবি মুক্তি পায় ১৯৫০ সালে । ছবিটির পরিচালক নিমাই ঘোষ । ছবিতে অভিনয় করেছেন গঙ্গা ভট্টাচারিয়া, জল্লাদ চ্যাটার্জী, শান্তা দেবী ।
রাজনীতির উপর নির্ভর করে এই চলচ্চিত্রটি নির্মিত । ছবিটি পরিচালনা করেছেন জহির রায়হান । ছবিতে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের বিখ্যাত নায়ক আব্দুর রাজ্জাক, সুচন্দ্রা, শওকত আকবর । ছবিটি মুক্তি পায় 1970 সালে ।
সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত কয়েকটি ছবির মধ্যে অশনি সংকেত সিনেমাটি অন্যতম । এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন সৌমিত্র চ্যাটার্জি, বাংলাদেশের নায়িকা ববিতা, সন্ধ্যা রায়, চিত্রা ব্যানার্জি । অশনি সংকেত সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৭৩ সালে ।
সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত ছবি গুপি গাইন বাঘা বাইন ১৯৬৯ সালে মুক্তি পায় । এই ছবিতে অভিনয় করেছেন তপন চ্যাটার্জি, রবি ঘোষ ও অজয় ব্যানার্জি ।
মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের ছবিগুলির মধ্যে অন্যতম দ্বীপ জ্বেলে যাই । এখানে একজন নার্সের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মহানায়িকা সুচিত্রা সেন । দীপ জ্বেলে যাই ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৫৯ সালে । ছবিটির পরিচালক ছিলেন অসিত সেন । এছাড়া ছবিতে অভিনয় করেছেন তুলসী চক্রবর্তী অজিত চ্যাটার্জী, অনিল চ্যাটার্জী ।
পরিচালক সত্যজিৎ রায় । অভিনয় করেছেন শর্মিলা ঠাকুর, কাবেরী, সৌমিত্র চ্যাটার্জি । ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭০ সালে।
কোনি সিনেমাটিতে সৌমিত্র চ্যাটার্জী অনবদ্য অভিনয় করেন । ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৪ সালে । ছবিটির পরিচালক সরোজ দে । সৌমিত্র চ্যাটার্জি ছাড়াও এখানে অভিনয় করেছেন শ্রীপর্ণা ব্যানার্জি, স্নিগ্ধ ব্যানার্জি, দীপঙ্কর ।
জাতিস্মর মুক্তি পায় ২০১৪ সালে । ছবিটির পরিচালক সৃজিত মুখার্জি । জাতিস্মর সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী, যীশু সেনগুপ্ত, স্বস্তিকা মুখার্জি, মমতা শংকর ।
বিখ্যাত পরিচালক মৃণাল সেন এই সিনেমাটির পরিচালনা করেছেন । সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন কালি ব্যানার্জি, ছবি বিশ্বাস এর মতো প্রখ্যাত অভিনেতারা । ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৫৯ সালে ।
সীমাবদ্ধ ছবিটি পরিচালনা করেছেন সত্যজিৎ রয় । ছবিটিতে অভিনয় করেছেন শর্মিলা ঠাকুর, বরুণ চন্দ, পারমিতা চৌধুরী, অজয় ব্যানার্জি । ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭১ সালে ।
স্বর্ণযুগের রোমান্টিক জুটি উত্তম-সুচিত্রা অভিনীত ছবি এই ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৫৭ সালে । পরিচালক ছিলেন অজয় কর ।
ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭০ সালে । পরিচালক ছিলেন সত্যজিৎ রায় । প্রতিদ্বন্দ্বী ছবিটিতে অভিনয় করেছেন ধৃতিমান চাটার্জী, আজগর আলী, অরবিন্দ ব্যানার্জি, সৌমিত্র ব্যানার্জি ।
পরিচালক সত্যজিৎ রায় । অভিনয় করেছেন সৌমিত্র চ্যাটার্জী, উৎপল দত্ত, রবি ঘোষ, তপন চ্যাটার্জি । ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮০ সালে ।
ছবিটির পরিচালক মৃণাল সেন। ছবিতে অভিনয় করেছেন মাধবী মুখার্জি, গীতা সেন, রঞ্জিত মল্লিক । ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭১ সালে ।
বাড়ি থেকে পালিয়ে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার ১৯৫৮ সালে । ছবিটির পরিচালক ঋত্বিক ঘটক । ছবিটিতে অভিনয় করেছেন পরান, কালি ব্যানার্জি, গণেশ মুখার্জি ।
তপন সেনগুপ্ত পরিচালিত এই বিখ্যাত ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৬১ সালে । ছবিতে অভিনয় করেছেন সৌমিত্র চ্যাটার্জী এবং উত্তম কুমার । এছাড়াও ছিলেন অরুন্ধতী দেবী, রাধামোহন ভট্টাচারিয়া ।
ছবিটির পরিচালক ঋত্বিক ঘটক । ১৯৫৮ সালে ছবিটি মুক্তি পায় । ছবিতে অভিনয় করেছেন কালি ব্যানার্জি, গঙ্গাপদ বাসু, শ্বেতা ভট্টাচার্য, তুলসী চক্রবর্তী ।
ছবিটি পরিচালনা করেছেন সত্যজিৎ রায় । .১৯৭৫ সালে ছবিটি মুক্তি পায় । ছবিতে অভিনয় করেছেন প্রদীপ মুখার্জী, রফিক আহমেদ, অজিত ব্যানার্জি ।
একদিন প্রতিদিন ছবিটির পরিচালক মৃণাল সেন । ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭৯সালে । একদিন প্রতিদিন সিনেমায় অভিনয় করেছেন সত্য ব্যানার্জি, গীতা সেন, মমতা শঙ্কর, শ্রীলা মজুমদার ।
১৯৮৪ সালে ঘরে বাইরে মুক্তি পায় । ছবিটির পরিচালক সত্যজিৎ রায় । ছবিতে অভিনয় করেছেন সৌমিত্র চ্যাটার্জি, ভিক্টর ব্যানার্জি, স্বাতীলেখা সেনগুপ্, গোপাল ।
কাঞ্চনজঙ্ঘা ছবিটি পরিচালনা করেছেন সত্যজিৎ রায় । ১৯৬২ সালে ছবিটি মুক্তি পায় । ছবিতে অভিনয় করেছেন ছবি বিশ্বাস, করুণা , পাহাড়ি সান্যাল, অনিল চ্যাটার্জী ।
এই ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ১৯৫২ সালে । ছবিটির পরিচালক ঋত্বিক ঘটক । নাগরিক ছবিতে অভিনয় করেছেন অজিত ব্যানার্জি, কালি ব্যানার্জি, গঙ্গাপদ বসু, সতীন্দ্র ভট্টাচার্য ।
১৯৯১ সালে ছবিটি পরিচালনা করেছেন সত্যজিৎ রায় । অভিনয় করেছেন উৎপল দত্ত, মমতা শঙ্কর, দীপঙ্কর দে ।
শিল্পী সিনেমাটি নির্মিত হয় ১৯৫৬ সালে । অগ্রগামী গোষ্ঠী এই সিনেমাটি পরিচালনা করেন । অনবদ্য অভিনয় করেছিলেন উত্তম কুমার ।
সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৫৭ সালে । পরিচালক ছিলেন তপন সিংহ । অভিনয় করেছেন ছবি বিশ্বাস ঐন্দ্রিলা ঠাকুর, রাধামোহন ভট্টাচারিয়া, মঞ্জু দে ।
পদাতিক ছবিটি নির্মাণ করেন মৃণাল সেন । ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭৪ সালে । পদাতিক ছবিটিতে অভিনয় করেছেন বিমান চ্যাটার্জি, বিজন ভট্টাচারিয়া ।
মুক্তি – ১৯৮১
সময়-৯২ মিনিট
পরিচালক: মৃণাল সেন |
তারকারা: অঞ্জন দত্ত, উৎপল দত্ত, অরুণ মুখোপাধ্যায়, জ্যোতি চ্যাটার্জী
মুক্তি – ১৯৫৯ সাল
সময়-৯৩ মিনিট
পরিচালক: মৃণাল সেন |
তারকারা: অঞ্জন দত্ত, উৎপল দত্ত, অরুণ মুখোপাধ্যায়, জ্যোতি চ্যাটার্জী
মুক্তি – ১৯৭৫ সাল
সময়-১২৪ মিনিট
পরিচালক: মৃণাল সেন |
তারকারা: উৎপল দত্ত, অজিত ব্যানার্জি, শেখর চ্যাটার্জী, রাধামোহন ভট্টাচার্য
মুক্তি – ১৯৬৭ সাল
সময়-১১০ মিনিট
পরিচালক: শ্রী জয়দ্রথ |
তারকারা: ভানু ব্যানার্জি, অসিতবরন, রবি ঘোষ, জহর রায়
মুক্তি – ১৯৫৮ সাল
সময়-১১১ মিনিট
পরিচালক: সত্যজিৎ রায় |
তারকারা: তুলসী চক্রবর্তী, কালী ব্যানার্জি, রাণীবালা, গঙ্গাপদ বসু
মুক্তি – ১৯৫৭ সাল
সময়-১২৫ মিনিট
পরিচালক: অগ্রদূত |
তারকারা: শিশির বাতাবাল, অনিল ভট্টাচার্য, মিহির ভট্টাচার্য, ছবি বিশ্বাস
মুক্তি – ২০০৪ সাল
সময়-১২০ মিনিট
পরিচালক: বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত |
তারকারা: মিঠুন চক্রবর্তী, রাহুল বোস, সামিরা রেড্ডি, সুদীপ্তা চক্রবর্তী
মুক্তি – ২০১১ সাল
সময়-১৩৫ মিনিট
পরিচালক: ঋতুপর্ণ ঘোষ |
তারকারা: জিশু সেনগুপ্ত, রিয়া সেন, রাইমা সেন, প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী
মুক্তি – ২০১০ সাল
সময়-১৫০ মিনিট
পরিচালক: গৌতম ঘোষ |
তারকারা: শাহেদ আলী, রাইসুল ইসলাম আসাদ, মীর নওফিল আশরাফি, চম্পা
মুক্তি – ১৯৭৭ সাল
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ‘পথের দবী’ উপন্যাস থেকে গৃহীত ।
পরিচালক: পীযুষ বোস |
তারকারা: অনিল চ্যাটার্জী, সুপ্রিয়া চৌধুরী, সুলতা চৌধুরী, সুজাতা দত্ত
মুক্তি – ১৯৭৩ সাল
সময়-১০৭ মিনিট
পরিচালক: তরুন মজুমদার |
তারকারা: আয়ান ব্যানার্জি, মহুয়া রায় চৌধুরী, সন্ধ্যা রায়, বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
মুক্তি – ১৯৭৯ সাল
সময়-১০০ মিনিট
পরিচালক: মৃণাল সেন |
তারকারা: অরুণ মুখোপাধ্যায়, বিভাস চক্রবর্তী, শ্রীলা মজুমদার, সমরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়
মুক্তি – ১৯৭১ সাল
সময়-১২২ মিনিট
পরিচালক: অগ্রদূত |
তারকারা: উত্তম কুমার, মাধবী মুখার্জি, অজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, জ্যোৎস্না বিশ্বাস
মুক্তি – ১৯৬৫ সাল
সময়-৬৫ মিনিট
পরিচালক: সত্যজিৎ রায় | তারকারা: চারুপ্রকাশ ঘোষ, রবি ঘোষ, প্রসাদ মুখোপাধ্যায়, গিতালী রায়
মুক্তি – ১৯৫৩ সাল
সময়-১১১ মিনিট।
পরিচালক: নির্মল দে |
তারকারা: উত্তম কুমার, সুচিত্রা সেন, দেবেন বন্দোপাধ্যায়, ভানু ব্যানার্জি, গুরুদাস ব্যানার্জি, শীতল ব্যানার্জি
মুক্তি – ১৯৮০ সাল
সময়-১৩৩ মিনিট
পরিচালক: তপন সিনহা |
তারকারা: মনোজ মিত্র, দীপঙ্কর দে, নির্মল কুমার, রাবি ঘোষ
মুক্তি – ১৯৫৬ সাল
সময়-৯৯মিনিট
পরিচালক: আবদুল জব্বার খান |
তারকারা: আবদুল জব্বার খান, পূর্ণিমা সেন, ইনাম আহমেদ, জহরত আরা
মুক্তি – ১৯৭৪ সাল
সময়-১৩৬ মিনিট
পরিচালক: সত্যজিৎ রায় |
তারকারা: সৌমিত্র চ্যাটার্জী, সন্তানু বাগচি, অজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, হারাধন ব্যানার্জি
মুক্তি – ১৯৮৯ সাল
সময়-১৩০ মিনিট
পরিচালক: গৌতম ঘোষ | তারকারা: বসন্ত চৌধুরী, প্রোমোড গাঙ্গুলি, রবি ঘোষ, শম্পা ঘোষ
মুক্তি – ১৯৬৫ সাল
সময়-১১৫ মিনিট
পরিচালক: মৃণাল সেন |
তারকারা: সৌমিত্র চ্যাটার্জী, অপর্ণা সেন, সুভেন্দু চ্যাটার্জী, জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায়
মুক্তি – ২০১২ সাল
সময়-১০১ মিনিট
পরিচালক: হুমায়ূন আহমেদ |
তারকারা: মামুন, তারিক আনাম খান, মুনমুন আহমেদ, জয়ন্তো চট্টোপাধ্যায়
মুক্তি – ১৯৯০সাল
সময়-১৩০মিনিট
পরিচালক: সত্যজিৎ রায় |
তারকারা: অজিত ব্যানার্জি, হারাধন ব্যানার্জি, সৌমিত্র চ্যাটার্জী, দীপঙ্কর দে
মুক্তি – ২০১২ সাল
সময়-১০৬ মিনিট
পরিচালক: মোস্তফা সরয়ার ফারুকী |
তারকারা: শাহির কাজী হুদা, চঞ্চল চৌধুরী, নুসরত ইমরোজ তিশা, মোশাররফ করিম
মুক্তি – ১৯৯৩ সাল
সময়-১২৬ মিনিট
পরিচালক: গৌতম ঘোষ |
তারকারা: রাইসুল ইসলাম আসাদ, চম্পা, রূপা গাঙ্গুলি, আমিরুল হক চৌধুরী
মুক্তি – ১৯৭৭ সাল
সময়-১১৭ মিনিট
পরিচালক: আলমগীর কবির |
তারকারা: জয়শ্রী কবির, বুলবুল আহমেদ, কাফি খান, মায়া হাজারিকা
মুক্তি – ১৯৭০ সাল
সময়-১০৬ মিনিট
পরিচালক: নিত্যানন্দ দত্ত |
তারকারা: সৌমিত্র চ্যাটার্জী, অপর্ণা সেন, মমতাজ আহমেদ, সতীন্দ্র ভট্টাচার্য
মুক্তি – ১৯৯৪ সাল
সময়-৯৭ মিনিট
পরিচালক: বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত |
তারকারা: শঙ্কর চক্রবর্তী, ইন্দ্রানী হালদার, রাজিত কাপুর, সাধু মেহের
মুক্তি – ১৯৬৮ সাল
সময়-১৪০ মিনিট
পরিচালক: পিনাকী ভূষণ মুখার্জি |
তারকারা: উত্তম কুমার, সুপ্রিয়া চৌধুরী, অঞ্জনা ভৌমিক, সুভেন্দু চ্যাটার্জী
মুক্তি – ১৯৭৯সাল
সময়-১১২ মিনিট
পরিচালক: সত্যজিৎ রায় |
তারকারা: সৌমিত্র চ্যাটার্জী, পরিণীতা বন্দ্যোপাধ্যায়, হারাধন ব্যানার্জি, সত্য ব্যানার্জি
মুক্তি – ১৯৭১ সাল
সময়-১৩৭ মিনিট
পরিচালক: আরবিন্দ মুখোপাধ্যায় |
তারকারা: উত্তম কুমার, সাবিত্রী চ্যাটার্জী, পার্থো মুখোপাধ্যায়, জয়া ভাদুড়ি