“ইনকালাব জিন্দাবাদ!”
ফাঁসির মঞ্চে দাড়িয়ে জীবনের শেষ মুহূর্তেও এই হুঙ্কার তুলেছিলেন তিন যুবক, ভগত সিং, রাজগুরু ও সুখদেব।
ভারতবর্ষ’কে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত করতে বহুবার বহু যুবকের রক্তে লাল হয়েছে দেশের মাটি, বহু মায়ের কোল খালি করে চলে গেছে লক্ষ বীর ভারতসন্তান। দেশ তাঁদের কাছে সবার উর্দ্ধে ছিলো।
তেমনি তিনজন বীর, ভগত সিং, রাজগুরু এবং সুখদেব। ১৯২৮ সনের ১৭‘ই ডিসেম্বর লালা লাজপৎ রায়-এর মৃত্যুর প্রতিশোধে ব্রিটিশ পুলিশ অফিসার স্যাণ্ডার্স‘কে হত্যা করে মূলত তাঁরা তাঁদের লক্ষ্য পূরণের পথ শুরু করে। এরপর ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে এক নতুন শিখা জ্বলে ওঠে।
ক্রমাগত আক্রমণের মধ্য দিয়ে এক সময় ব্রিটিশ প্রশাসনের আতঙ্কের কারণ হয়ে দাড়িয়েছিল এই তিন যুবক। শেষ পর্যন্ত, বিচারে তাঁদের ফাঁসির নির্দেশ দেওয়া হয়। আরও একবার শোকাহত হয়ে পড়ে দেশবাসী। কিন্তু ভেঙে পড়েননি তিন জনের মধ্যে কেউই, বরং দেশমায়ের জন্য প্রাণ দেওয়ার উদ্দেশ্যে গর্বে বুক ফুলে উঠেছিলো তাঁদের।
শোনা যায়, মৃত্যুর সময় সুখদেবের বয়স ছিলো মাত্র ২৩ বছর। যেই বয়েসে এখনকার যুবকেরা উৎসবে, আনন্দে, বিনোদনে মেতে থাকে, সেই বয়েসেই ফাঁসির মঞ্চে দাড়িয়ে উল্লাসে ঠোঁটের কোণায় মৃদু হাসি ফুটে উঠেছিলো এই মারাঠি যুবকের।
আজ, অর্থাৎ ২৩শে মার্চ তারিখেই ফাঁসি হয়েছিলো সেই তিন যুবকের। তার’ই স্মৃতিতে তাঁদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ আরও একবার জেগে ওঠে দেশ। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে উপ-রাষ্ট্রপতি সকলেই দেশের এই তিন বীর বিপ্লবী’কে শ্রদ্ধা জানিয়ে টুইট করলেন সোশ্যাল মিডিয়া’য়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করলেন,
শ্রদ্ধা জানালেন ভারতবর্ষের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি,
উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু টুইট করে বললেন, এই তিন বীরের আত্মত্যাগ কোনোদিনও ভুলবেননা।
এছাড়াও শ্রদ্ধা জানালেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং।
This post was last modified on 23rd মার্চ 2019 1:45 অপরাহ্ন