আমফান আপডেট – আগামী কয়েক ঘণ্টায় সুপার সাইক্লোন আমফানের শক্তি হ্রাসের সম্ভবনা, জানাল IMD

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ আর কিছু সময়ের মধ্যে রাজ্যে আছড়ে পড়তে চলেছে সুপার সাইক্লোন ‘আমফান’ । ইতিমধ্যে কেন্দ্র এবং রাজ্যের পক্ষ বিপদ মোকাবিলায়  সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে । আবহাওয়া দপ্তর থেকে কঠোরভাবে সতর্কমূলক ব্যবস্থা নেবার কথা বলা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ এবং উড়িষ্যাকে । কিন্তু এরই মাঝে একটু স্বস্তির খবর জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর । তারা জানিয়েছে, আগামী ৬ ঘণ্টার মধ্যে সুপার সাইক্লোন আমফান বেশ কিছুটা শক্তি হারাতে চলেছে ।

দেশের সংকটজনক করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যে ধেয়ে আসছে সুপার সাইক্লোন । ঘণ্টায় সর্বাধিক গতিবেগ হতে পারে ১৫০ নট বা প্রায় ২৭৭.৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা । এই মুহূর্তে সমুদ্রে আমফানের গতিবেগ ১৪৫ নট বা ২৬৮.৫৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা । আগামীকাল বুধবার  বাংলায় আছড়ে পরতে পারে সুপার সাইক্লোন আমফান । তবে এই মুহূর্তে আমফান যে শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে আগামী ছয় ঘণ্টার মধ্যে সেই শক্তি কিছুটা কমে যাবার সম্ভবনা দেখা যাচ্ছে – এমনটাই জানিয়েছে IMD,

IMD এর খবর অনুযায়ী, এই মুহূর্তে সুপার সাইক্লোন আমফান যেভাবে এগিয়ে আসছে তাতে সময়ের সাথে সাথে এটি ক্রমশ উত্তর-উত্তরপূর্বে বঙ্গোপসাগরের উত্তরপশ্চিমে সরে যাবে। আবহাওয়া দপ্তর থেকে আরও জানানো হয়েছে বুধবার দুপুরের পর আমফান পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশের উপকূল দিঘা এবং হাতিয়া দ্বীপের কাছে অর্থাৎ সুন্দরবন এলাকায় আছড়ে পরতে পারে। কলকাতায় এই ঝড়ের গতিবেগ ১২০ কিমি পর্যন্ত হতে পারে । তবে বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে রাজ্যের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার উপকূলবর্তী অঞ্চলেও। ইতিমধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দিঘা সহ একাধিক উপকূলবর্তী অঞ্চলে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে সর্তকতা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দিঘায় পৌঁছেছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যরা।

আবহাওয়াবিদদের ধারনা রাজ্য এবং বাংলাদেশে ঢোকার সময় সুপার সাইক্লোন আমফানের তীব্রতা মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে । সেই সময় আমফানের গতিবেগ ১৭০-১৯০ কিমি পর্যন্ত থাকবে । বর্তমানে আমফানের গতিবেগ ২৬০ কিমির উপরে থাকলেও, স্থলভাগে বাধা পেয়ে গতি কিছুটা হ্রাস পাবে । বাংলাদেশের উপর দিয়ে আমফান যাবার পথে তীব্র ধ্বংসলীলা চালাবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে ।

মঙ্গলবার সকালে রাজ্যের উপকুল তথা পূর্বমেদিনীপুরের দিঘা উপকুল থেকে সুপার সাইক্লোন আমফান আর মাত্র ৬৭০ কিমি দূরে আছে । উদ্ধার কাজ চালানোর জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার যৌথভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে । ইতিমধ্যে  উপকূলে নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ডকে হাই-অ্যালার্টে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূল এলাকা বরাবর ৯টি বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে তৈরি রাখা হয়েছে।

আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
মন্তব্য
Loading...