সারা পৃথিবীকে যখন বিশ্বউষ্ণায়নের প্রভাব সম্পর্কে অবগত করতে বিজ্ঞাণীরা ব্যাস্ত। যখন বিশ্বউষ্ণায়নের প্রভাবে ঘটে চলেছে একের পর এক দুর্যোগ প্রায় বিলুপ্ত হতে চলেছে জীব জগতের কিছু কিছু প্রাণী তখনই আবার বিশ্বউষ্ণায়নের মারাত্মক প্রভাবকে উস্কে দিলো উত্তরাখণ্ডের দাবানল।
গত সোমবার(১৩ই মে) থেকে একনাগাড়ে উত্তরাখণ্ডে তাণ্ডব চালাচ্ছে ভয়ঙ্কর দাবানল।তাপমাত্রার পারদ ওপরে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আগুনের লেলিহান শিখাও ভয়ঙ্করতার রূপ নিচ্ছে।ছারখার করে দিচ্ছে চারিদিক।গত ১১ দিনে উত্তরাখণ্ডের রাজধানী দেরাদুনে অন্তত ৩২ টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।এছাড়া নৈনিতাল, ভিমতাল, সাত্তাল ও দেবিধুরায় আগুন পাইন গাছের দিকে ছড়িয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এই ঘটনায় প্রায় ৬ জন নিহত এবং ৪ জন দগ্ধ হয়েছে।
বন কর্ম কর্তাদের মতে বৃষ্টি না হওয়ায় এবং তীব্র গরমের ফলে এই দাবানলের সৃষ্টি। দেরাদুন ভিত্তিক সেন্টার ফর ইকোলজি ডেভেলপমেন্ট অ্যাণ্ড রিসার্চের নির্বাহী পরিচালক বিশাল সিং বলেন, পশ্চিমা হিমালয়ের সব কোটি দাবানলই মানুষের সৃষ্টি।গ্রামবাসীরা পাইনের বৃদ্ধি আটকাতে ইচ্ছে করে আগুন লাগায় তারপর সেটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ঘটে দাবানল।আরও জানা যায় গত ১৯ বছরে আগুনে পুড়তে পুড়তে মাত্র ৪৪.৫১৮ হেক্টর জমি বাকী আছে। এর ফলে প্রায় ২ কোটি মুল্যের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় কর্তিপক্ষ।
This post was last modified on 14th মে 2019 10:54 অপরাহ্ন