এগরার পর হাওড়া, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে সিল করে দেওয়া হল আরও কিছু এলাকা

0

বং দুনিয়া ওয়েব ডেস্কঃ একের পর এক খবর আসছে আর সাধারন মানুষের আতঙ্ক আরও বেড়ে যাচ্ছে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে । আগামী ১৪ ই এপ্রিল লকডাউন উঠে যাবার কথা থাকলেও এই মুহূর্তে সেটি সম্ভব নয় । আশঙ্কা করা হচ্ছে, আরও দুই সপ্তাহ মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে । এদিকে রাজ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা করোনা আক্রান্তের ভিত্তিতে হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে । তমলুকের এগরার পর এবার হাওড়ার চারটি জন বহুল এলাকা চিহ্নিত করে প্রশাসন থেকে সম্পূর্ণ সিল করে দেওয়া হল ।

সূত্র থেকে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতি খারাপের দিকে মোড় নেওয়ায় হাওড়া জেলার মোট চারটি এলাকা  হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করে সিল করে দিল জেলা প্রশাসন। জানা গেছে,  সালকিয়া ঢোকা-বেরোনোর রাস্তা বাঁশ দিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে   সালকিয়াতেই দুজন করোনা আক্রান্ত মহিলার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া অবাধ প্রবেশ বন্ধ করার জন্য বামুনগাছি ব্রিজও সিল করে দেওয়া হয়েছে।

রাজ্য প্রশাসন রাজ্যে যে সমস্ত জায়গা হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করেছে, যত দ্রুত সম্ভব সেই এলাকাগুলি সিল করে বাইরের সাথে সমস্ত যোগাযোগ বিছিন্ন করে দেওয়া হবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে । পুলিশের অনুমতি ছাড়া উক্ত এলাকাগুলিতে বাইরে থেকে যেমন কেউ প্রবেশ করতে পারবে না, ঠিক তেমনি এলাকার মানুষ বাইরে বের হতে পারবে না । পাশাপাশি বাজার-ঘাট, দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে । নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ সরবরাহ করবে পুলিশ প্রশাসন ।

হাওড়া জেলায় মোট চারটি এলাকা হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করে সিল করে দেওয়ার পর হাওড়ার পুলিশ কমিশনার কুণাল আগরওয়াল বলেন, ‘‘করোনার সংক্রমণ বাড়া সত্ত্বেও মানুষ লকডাউন মানছেন না, এমনই চারটি এলাকা চিহ্নিত করে সিল করে দেওয়া হয়েছে। আরও কয়েকটি জায়গা সিল করা হবে। নিয়ম না মানলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ গতকাল রাজ্যের মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা নবান্নে জানিয়েছিলেন, গোটা রাজ্যে বেশ কয়েকটি এলাকা হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করে সিল করে দেওয়া হবে । তবে কোন কোন এলাকা সিল করে দেওয়া হবে সে বিষয়ে সরকারীভাবে কিছুই জানানো হয়নি ।

যে সমস্ত জায়গা হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত হবে সেগুলিতে বেশ কিছু নিয়ম কঠোরভাবে এলাকাবাসীকে মেনে চলতে হবে । উক্ত এলাকায় বসবাসকারী কোন অবস্থাতেই ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না , বন্ধ থাকবে দোকান, বাজার । একমাত্র চিকিৎসা ছাড়া সমস্ত পরিষেবা বন্ধ থাকবে । খাবারদাবার সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ঘরে ঘরে পৌঁছে দেবার দায়িত্ব থাকবে পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্বে। এই নিয়মের বাইরে গেলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মহামারি আইনে মামলা দায়ের করা হবে ।

আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
মন্তব্য
Loading...